ঝড়ের মধ্যে ৯৯৯ এ কল, ৩০ জীবনরক্ষা

আমাদের নতুন সময় : 12/11/2019

মাসুদ আলম : এই সফল উদ্ধার অভিযানের বিষয়টি গতকাল সোমবার পুলিশ সদরদপ্তরের এক বার্তায় জানানো হয়েছে। বরিশালের হিজলা থানার ওসি অসীম কুমার সিকদার জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুর্যোগপূর্ণ বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে উদ্ধার অভিযানে নামেন তারা।
জানা গেছে, রোববার ঘড়ির কাঁটায় তখন দুপুর ২টা ৫৮ মিনিট। ঘূর্ণিঝড় বুলবুল তখন বরিশালে আঘাত হেনেছে। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দিলেন রমজান নামে এক ব্যক্তি। ভয়ার্ত কণ্ঠে তিনি জানালেন, বরিশালের হিজলা থানার মিয়ারচরের কাছে মেঘনার শাখা নদীতে খননকাজে ব্যবহৃত একটি ড্রেজারের ছয়টি পল্টুন নোঙর করা ছিলো। ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্ট ঢেউয়ের তোড়ে একটি পল্টুন নোঙর ছিঁড়ে ২৫ থেকে ৩০ শ্রমিকসহ নদীতে ভেসে যায়। বাতাসের সঙ্গে প্রচ- ঢেউয়ে শ্রমিকসহ পল্টুনটি দিগি¦দিক ভাসতে থাকে। রমজান বিপদগ্রস্ত শ্রমিকদের উদ্ধারের দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানান। তৎক্ষণাৎ জরুরি সেবার কন্ট্রোল রুম থেকে রমজানকে হিজলা থানার ওসি সঙ্গে কথা বলিয়ে দেয়া হয়। একইসঙ্গে ৯৯৯-এর পক্ষ থেকে বিষয়টি বরিশাল পুলিশ কন্ট্রোল রুম, নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডকে জানানো হয় এবং উদ্ধার তৎপরতা চালানোর অনুরোধ করা হয়।
এ খবর পেয়েই দুর্যোগপূর্ণ বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে হিজলা থানা পুলিশের একটি দল ও নৌ-পুলিশের একটি দল যৌথভাবে বড় ইঞ্জিনচালিত নৌযানযোগে শ্রমিকদের উদ্ধার করতে রওনা দেয়। পাশাপাশি কোস্টগার্ডের একটি দলও শ্রমিকদের উদ্ধারে রওনা দেয়। উত্তাল নদীর বুকে প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা অভিযানের পর পুলিশের উদ্ধারকারী যৌথদল দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে নদীতে ভাসমান পল্টুন থেকে ১৮ শ্রমিককে উদ্ধার করে। এরপর কোস্টগার্ড সেখানে পৌঁছে আরও ১২ শ্রমিককে উদ্ধার করে। রক্ষা পায় ৩০ শ্রমিকের জীবন।

উদ্ধারকৃত শ্রমিকরা জানান, মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। নতুন জীবন পেয়েছি। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। সম্পাদনা : খালিদ আহমেদ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]