• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » পর্দার দাম ৩৭ লাখ, বিলে দুর্নীতির ঘটনায় ফরিদপুরের ৩ চিকিৎসকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক


পর্দার দাম ৩৭ লাখ, বিলে দুর্নীতির ঘটনায় ফরিদপুরের ৩ চিকিৎসকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক

আমাদের নতুন সময় : 13/11/2019

 

তাপসী রাবেয়া : গতকাল বুধবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সকাল সোয়া ১০টা থেকে পরিচালক কাজী শফিকুল আলমের নেতৃত্বে একটি টিম তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তারা হলেন-ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. শেখ আবদুল, ডা. মিজানুর রহমান ও ডা এমানুল করিম। চলতি বছরের অক্টোবর থেকে দুদকের উপ-পরিচালক শামছুল আলমের নেতৃত্বে একটি টিম অনুসন্ধানে নামে। অনুসন্ধান টিমের অন্যান্য সদস্যরা হলেন-উপ-সহকারী পরিচালক মো. সহিদুর রহমান ও ফেরদৌস রহমান। টিম এরই মধ্যে যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামাদি স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী যাচাই ও মূল্য নির্ধারণে সরেজমিনে পরিদর্শনে যায়।
অভিযোগের বিষয়ে জানা যায়, ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে রোগীকে আড়াল করে রাখার এক সেট পর্দার দাম দেখানো হয় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
২০১২ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে মেসার্স অনিক ট্রেডার্স অতিরিক্ত বিল দেখিয়ে ৫২ কোটি ৬৬ লাখ ৭১ হাজার ২০০ টাকার ১৬৬টি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করে। যেখানে প্রকৃত বাজার মূল্য ১১ কোটি ৫৩ লাখ ৪৬৫ টাকা। এরই মধ্যে অনিক ট্রেডার্স ৪১ কোটি ১৩ লাখ ৭০ হাজার ৭৩৭ টাকার বিল উত্তোলন করে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরো ১০ কোটি টাকার বিল বিভিন্ন অসঙ্গতিতে বিল আটকে দেয়া হয়। বিল পেতে ২০১৭ সালের ১ জুন অনিক ট্রেডার্স হাইকোর্টে রিট করে। এরপরই মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কাছে ১০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতির তালিকা চেয়ে পাঠান। পরবর্তীতে বিষয়টি তদন্তে দুদককে নির্দেশনা দেয় হাইকোর্ট। সম্পাদনা : খালিদ আহমেদ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]