বাজারে উঠছে নতুন পেঁয়াজ, তবুও দাম কমেনি

আমাদের নতুন সময় : 13/11/2019

মো. আখতারুজ্জামান : সারাদেশে এখন পেঁয়াজের দাম নিয়ে অস্থিরতা চলছে। তবে নতুন আশা জাগিয়েছে দেশি নতুন পেঁয়াজ। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে এখন বাজারে যে দেশি কাঁচা পেঁয়াজ আসছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। এর প্রভাব এই মুহুর্তে না পরলেও কয়েক দিনের মধ্যে দাম কমতে পারে। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন বলেছেন, ভারতে হঠাৎ বন্যার কারণে আমাদের পেঁয়াজের বাজার ঊর্ধমুখী হয়ে যায়। এ সময় ভারত পেঁয়াজ রপ্তানিও বন্ধ করে দেয়। তবে আমরা তা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছি। তবে রাজধানীর বাজারে চিত্র বলে অন্য কথা। বুধবার রাজধানীর মালিবাগ, কাওয়ান বাজার ও শান্তিনগর কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায় প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। ভারতীয় পেঁয়াজ ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শান্তিনগর বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী হালিম মিয়া জানান, এখন বাজারে হরেক রকমে পেঁয়াজ এসেছে। সেই সঙ্গে দেশি নতুন পেঁয়াজ এসেছি। তবে দাম কমতে আরো সময় লাগতে পারে।
গত বৃহস্পতিবার শ্যামবাজারের ব্যবসায়ীদের সংগঠন আড়ৎদার সমিতি এক বৈঠকে পেঁয়াজের দাম নির্ধারণ করে।ছে সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, শুক্রবার থেকে আপাতত মিশর, চীন ও তুরস্কের পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, মিয়ানমারের পেঁয়াজ ৮০ থেকে ৮৫ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৯০ টাকার মধ্যে বিক্রি করা হবে।
অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পেঁয়াজের খোঁজে এবার মধ্য এশিয়ার দেশ উজবেকিস্তানের দ্বারস্থ হয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রথমবারের মতো দেশটি থেকে ২০০ টন পেঁয়াজ আমদানির ঋণপত্র (এলসি) খোলা হয়েছে। ফলে পেঁয়াজ আমদানিতে বাংলাদেশের সামনে এখন ভারতের বিকল্প সাত দেশ। অন্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান, মিয়ানমার, চীন, মিসর, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। সম্পাদনা : আসিফুজ্জামান পৃথিল




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]