আফতাব ও গুলতেকিনের আড্ডা হতো আর্ট ক্যাফেতে

আমাদের নতুন সময় : 14/11/2019

দেবদুলাল মুন্না : হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী থাকাকালীন ‘গুলতেকিন আহমেদ’ নামটি ব্যবহার করতেন এবং সে নামেই পরিচিত ছিলেন তিনি। হুমায়ূন আহমেদ অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে বিয়ে করার আগে গুলতেকিনের সঙ্গে ৩০ বছরের সংসার ভেঙে দেন। তারপর থেকেই একাকী জীবন কাটছিল গুলতেকিনের। ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম কবিতার বই ‘চৌকাঠ’। বইটিতে লেখক নাম হিসেবে ‘গুলতেকিন খান’ ব্যবহারের মধ্য দিয়ে তিনি ‘গুলতেকিন আহমেদ’ নামটি আনুষ্ঠানিকভাবে পরিত্যাগ করেন।

দুই পক্ষের বন্ধু সূত্রে জানা গেছে , গত কয়েক বছর ধরে গুলতেকিন ও আফতাবের মধ্যে গড়ে ওঠা বন্ধুত্ব শেষ পর্যন্ত প্রেমে গড়ায়। ১০ বছর আগে আফতাব আহমেদ ও তার প্রথম স্ত্রীর মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে। তাদের সংসারের একমাত্র সন্তান বর্তমানে দেশের বাইরে পড়াশোনা করছেন।
আফতাব আহমেদের একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু জানান, তারা দু’জনেই যথেষ্ট পরিণত এবং দীর্ঘদিন থেকে একাকী বসবাস করতেন। সেই সুবাদে তাদের বন্ধুত্ব প্রেমে রূপ নেয় গত আট বছর আগে।
২০১৫ সালের ৮ নভেম্বর আফতাব আহমেদ ফেসবুকে একটি কবিতা পোস্ট করেন। এর চার লাইন এমন : টুকরো এই দিনগুলি/ ভুল করে যদি জোড়া লাগে/ ভুলভাঙা শিল্পের কোলাজে/ ভালো খুব ভালো। গত ১১ নভেম্বর একটি পোস্ট শেয়ার করেন আফতাব আহমেদ। এতে লেখেন : আবেগবশত আমি দক্ষিণ/ মানসিকতায় আমি উত্তর/ আধ্যাত্মিকতায় আমি পূর্ব/ আদর্শগতভাবে, তুমি জোকস করছ, ঠিক?/ শারীরিকভাবে কেমন জানতে চেয়ো না।
একইদিন গুলতেকিন খান কবি কাশীনাথ রায়ের একটি বইয়ের প্রচ্ছদ ফেসবুকে শেয়ার করলে আফতাব আহমেদ কমেন্টে কাশীনাথ রায়ের চার লাইন লেখেন, যে কাঁদন চোখ থেকে নেমে/ বুকের ভেতরে ফিরে যায়/ যে ফেরায় ঘরে ফেরা থেমে/ যায় থেমে খা খা দরোজায়।

সেই কমেন্টে লাভ সাইন দেন গুলতেকিন খান। এর আগে ১লা নভেম্বর একটি ছবি গুলকেতিন ফেসবুকে শেয়ার করেন, সেই ছবিটি ‘আর্ট ক্যাফে’তে তোলা। ছবিতে আফতাব আহমেদ, তুষার দাশ ও সুব্রত সরকারকে দেখা যায় গুলকেতিনের সঙ্গে।
আফতাব আহমেদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু জানান, সেই ক্যাফেতেই দু’জনের দেখা হতো। দু’জনেই ভীষণ সংবেদনশীল ও মানবিক। বয়স হচ্ছিলো বলেই দু’জনেই বিশেষ করে আগামী দিনের নির্ভরতার কথা ভেবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সম্পাদনা : রমাপ্রসাদ বাবু




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]