দয়া বা সহানুভুতি পেলে বেশি দীর্ঘায়ু হওয়া যায়

আমাদের নতুন সময় : 14/11/2019

জান্নাত জুঁই : বিশ্বে আর্ন্তজাতিক সহানুভূতি দিবস উদযাপন করা হচ্ছে। পশ্চিমা বিশ্বের বিভিন্ন সমাজতান্ত্রিক এবং চিকিৎসা গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে অন্যের কাছ থেকে একটু সহানুভূতি একটু দয়ালু আচারণ মানুষকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে উৎসাহিত করে। সদয় আচরণে মানুষের রক্তচাপ কমে যেতে পারে। গতকাল বুধবার বিবিসি এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড.মাহবুবা নাসরীন বলেন, নদী তীরবর্তী মানুষ অনেকটা দয়াবান হয়। মানুষের দয়ার উপরে অনেকে নির্ভর করে। কারো দয়ায় কোনভাবে জীবনযাপন করতে হয়।
আগে যৌথপ্রথা সমাজ ছিলো বর্তমানে এটি নেই। এক্ষেত্রে দয়ালু মানুষের সংখ্যাও দিনে দিনে কমে গেছে এটি যেমন ঠিক না তেমনি আবার যে নিষ্ঠুরতা বাড়ছে এটাও বলা যায় না। কারণ এর জন্য অনেকগুলো সূচক দায়ী। প্রথমে দয়ালু কথাটি শিশুরা পরিবার থেকেই শেখে। প্রাথমিক শিক্ষা স্তরে সবাই যে সমান এ কথাটা অনেকদিন পর্যন্ত কারিকুলামেও ছিল না। তবে বর্তমানে গল্পের আকারে এটি শিখানো হয়। নারী পুরুষ দুইজনেই বাহিরে কাজ করছে। আগে যেমন যৌথ পরিবার ছিলো সেখানে অনেকেই থাকতেন। পরিবারে অনেক কিছুই শেখানো হতো। তবে বর্তমানে যেহেতু তা নেই সেহেতু শেখার জায়গাটা কমে যাচ্ছে। তাই পরিবারের পর প্রাথমিক স্তরে সবাই যে সমান,সবার প্রতি দয়াশীল হওয়া উচিত এসব কিছু শিশুদের শেখানো হচ্ছে। শিশুদের মধ্যে এই মানসিকতাটা গড়ে উঠছে।
পশ্চিমাঞ্চলে গবেষণায় দেখা গেছে কারো প্রতি দয়াশীল দেখালে, সদয় হলে মানুষের মনের উপর, শরীরের উপর ইতিবাচক ছায়া ফেলে। এক্ষেত্রে কারো যদি উচ্চ রক্তচাপ থাকে তাহলে একটু দয়া তার রক্তচাপ কমে দিতে পারে। যেমন- ডাক্তারের কাছে রোগী আসলে তার অর্ধেক রোগ ভালো হয়ে যায় যদি তার প্রতি বা তার চিকিৎসার প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করেন। কিংবা হাসি ও গল্পের ছলে তার চিকিৎসা করেন। তেমনি কারো উপরে যদি সহানুভূতি দেখানো হয় তাহলেও ভালো থাকবে। সম্পাদনা : রমাপ্রসাদ বাবু




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]