বন্যায় তলিয়ে গেছে ভেনিসের দর্শনীয় স্থান

আমাদের নতুন সময় : 14/11/2019

রাশিদ রিয়াজ : প্রায় ৬ ফুট পানি বেড়ে যাওয়ায় ভেনিসের পর্যটন কেন্দ্র ও দর্শনীয় স্থানগুলো চেনা যায় না। বন্যায় দুজন মারা গেছেন। ঐতিহাসিক সেন্ট মার্কস ব্যাসিলিকা পানির নিচে। ভেনিসের ৮৫ শতাংশ এলাকা পানির নিচে চলে যাওয়ায় আঞ্চলিক সরকার একে সর্বনাশা বিপর্যয় বলে অভিহিত করেছে। পর্যটকরা না পারছেন সরে যেতে না পারছেন হোটেল থেকে বের হতে। যারা বের হচ্ছে তাদের লাগেজ পানির ভেতর দিয়েই টেনে নিয়ে যেতে হচ্ছে। পুরো ভেনিস শহর এখন যেনো হাঁটু পানির ওপর দাঁড়িয়ে। দোকান পাট, বাড়ি ঘর বন্যার কড়াল গ্রাসে আটকা পড়ে আছে। আগামী শক্তিশালী এক জোয়ারের পূর্বাভাস দিয়ে আবহাওয়া বিভাগ বলছে বন্যাপরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে। অনেকে এ অবস্থাকে ‘বাইবেলিক ফ্লাড’ বা নূহের প�াবন বলেও অভিহিত করছেন। দি সান/মিরর
বন্যায় গত ১২শ বছরের মধ্যে সেন্ট মার্কস স্কয়ার এবার নিয়ে ৬ বার তলিয়ে গেল। লাখ লাখ ডলার এমনকি মহামূল্যবান চিত্রকর্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ভেনিস মেয়র লুইগি ব্রুগনারো এ বন্যার জন্যে আবহাওয়ার পরিবর্তনকে দায়ী করেছেন। তিনি সেন্ট মার্কস ব্যাসিলিকার অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলে জানান। ব্যাসিলিকা ভবনটির প্রশাসক জানান, গত ২০ বছরে এবার বন্যায় কড়াল গ্রাসে তারা পড়লেন। শতাধিক প্রাচীনভবন এ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও তিনি জানান। বিলাসবহুল হোটেলগুলোতে বানের পানি ঢুকে পড়েছে। পানিবন্দী হয়ে যত্রতত্র পড়ে রয়েছে টেবিল চেয়ার। ভেনিসের খালে বিখ্যাত ওয়াটার বাস সার্ভিস বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ১৯২৩ ও ১৯৬৬ সালে এমন ভয়াবহ বন্যায় কবলিত হয়ে পড়েছিল ভেনিস। ট্যাক্সিবোট ও নৌকা চলাচল বন্ধ করা হয়েছে যাতে এসব নৌযান চলাচলের সময় ঢেউয়ের আঘাতে কোনো ভবন ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। প্রাচীন মোজাইকের কারুকাজ করা ভবনের মেঝে ও চিত্রকর্ম নিয়ে ভেনিসের সঙ্গে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন বিশ্ববাসীও।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]