• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » ভারতীয় গবেষক আসিয়াকে দেশে ফেরার নির্দেশ, আন্দোলনে ক্যামব্রিজ শিক্ষার্থীরা


ভারতীয় গবেষক আসিয়াকে দেশে ফেরার নির্দেশ, আন্দোলনে ক্যামব্রিজ শিক্ষার্থীরা

আমাদের নতুন সময় : 14/11/2019


দেবদুলাল মুন্না: ভারতীয় গবেষক আসিয়া ইসলাম। দীর্ঘদিন পড়াশোনা করেছেন কেমব্রিজে। গবেষণা করেছেন দুটি বিষয়ে। একটি ‘জেন্ডার, ক্লাস অ্যান্ড লেবার ইন দি নিউ ইকনমি অব আরবান ইন্ডিয়া’ ও অন্যটি ‘ দ্যা চ্যালেঞ্জ অব টেরোরিজম ইন সাউথ এশিয়া’। কিন্তু তার দ্বিতীয় গবেষণাপত্রের বিষয়কে মানতে রাজী নন একদল গবেষক। কেমব্রিজ ভিত্তিক গবেষক দলের প্রধান স্মিথ এলাইন দাবি করেছেন, আসিয়া ইউরোপ-আমেরিকা বিরোধী ওরিয়েন্টালিস্ট। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে বৃটেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় ও অভিযোগ করেছে, বিনা অনুমতিতে দীর্ঘদিন দেশে গিয়ে ছুটি কাটিয়েছেন এক কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ভারতীয় গবেষক। শৃঙ্খলাভঙ্গের অপরাধে তাঁকে আর ব্রিটেনে থাকতে দিতে রাজি নয় সেদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়। এদিকে, গবেষক প্রধান বলেছেন,কেন তাঁকে নির্ধারিত সময়ের বেশি স্বদেশে কাটাতে হয়েছিলো, তার কারণ দেখিয়ে উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ দাখিল করেছেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে ও আসিয়ার পক্ষে আন্দোলনে নেমেছেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। আসিয়ার আবেদন নাকচ হয়ে যাওয়ায় অসন্তুষ্ট হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও ছাত্রছাত্রীরা। গত তিনদিন থেকে তারা আন্দোল করছেন। তাঁদের মধ্যে ৯০০ জন চিঠি দিয়ে সরকারকে বলেছেন, আসিয়া হলেন একজন প্রথম সারির গবেষক। তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়া গণতান্ত্রিক রীতিনীতি ভঙ্গ করার সামিল। সূত্র বিবিসি ও দ্যা রেইন।
অভিযুক্ত গবেষকের নাম আসিয়া ইসলাম। ৩১ বছর বয়স্ক ওই মহিলা এবছরই কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউহ্যাম কলেজ থেকে পিএইচডি করেছেন। তারপরে তিন বছরের জন্য জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ পেয়েছেন। তিনি ফিল্ডওয়ার্ক করার জন্য তিনি দিল্লিতে এসেছিলেন। পরে ব্রিটেনে ফের কিছুদিন থাকার জন্য আবেদন করেন। এই ধরনের আবেদনকে বলা হয় ‘ইনডেফিনাইট লিভ টু রিমেন’। আসিয়ার কথায়, ‘ বিট্রেনের স্বরাষ্ট্র দফতর আমার আবেদন নাকচ করে দিয়েছে। ব্রিটেনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে রিসার্চ করতে আমি বাইরে গিয়েছিলাম। এইভাবে আবেদন নাকচ হওয়া দুঃখজনক। একইসঙ্গে তিনি জানান, ব্রিটিশ সরকারকে আমি কয়েকটি চিঠি দিয়েছিলাম। তাতে লিখেছিলাম, ফিল্ডওয়ার্কের জন্য আমার আরও কিছুদিন বাইরে থাকা জরুরি। সুতরাং আমি ছুটিতে আছি ভাবা ঠিক নয়। এছাড়া গবেষক প্রধান স্মিথ এলাইনের অভিযোগ সত্য নয়।’
ক্যামব্রিজের এই কৃতী গবেষকের নাগরিকত্ব বাতিল করে দিয়েছে ব্রিটিশ সরকার। আসিয়া ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটস স্কলার, লন্ডন স্কুল অফ ইকনমিকস-এর বেস্ট ডিগ্রি পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ড অধিকারী। আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেধার স্বীকৃতি হিসেবে ডক্টর জাকির হুসেন পদকপ্রাপ্ত স্কলার। সম্পাদনা : খালিদ আহমেদ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]