• প্রচ্ছদ » » ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ও সনদদাতা দু’পক্ষকেই শাস্তির আওতায় আনা প্রয়োজন, বললেন আবুল কাসেম


ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ও সনদদাতা দু’পক্ষকেই শাস্তির আওতায় আনা প্রয়োজন, বললেন আবুল কাসেম

আমাদের নতুন সময় : 14/11/2019

আমিরুল ইসলাম : মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় অতিরিক্ত সময়ে চাকরিকালীন বেতন-ভাতা ফেরত দিতে হচ্ছে মো. আবদুস সোবাহান নামে এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে। তিনি পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক। এতো সুযোগ-সুবিধা পাওযার পরও একজন সরকারি কর্মকর্তার এ ধরনের অন্যায়ের আশ্রয় নেয়াকে কীভাবে দেখছেন এবং মুক্তিযোদ্ধার নকল সনদ নেয়ার জন্য তাকে শাস্তির আওতায় আনার প্রয়োজন কিনা জানতে চাইলে শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, যারা সরকারি অফিসে উচ্চপদে চাকরি করেন তাদের আবার এতোদিন পর মুক্তিযোদ্ধার নতুন তালিকা করে সুযোগ-সুবিধা দেয়ার দরকার কী? তারা তো অনেক ভালো অবস্থায় আছেন। যারা ভুয়া মক্তিযোদ্ধার পরিচয় দিচ্ছেন তারা যেমন অপরাধী এবং যারা এর সনদ দিচ্ছেন তারাও সমান অপরাধী। দুপক্ষকেই শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, যারা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন এবং এখনো জীবিত আছেন তাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সহায়তা দেয়া উচিত। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান যদি খুব দুর্গত অবস্থায় থাকে তাহলে তাদের সহায়তা করা উচিত। কিন্তু তারপর আর কোনো সহায়তা দেয়া উচিত নয়। কারণ সারাদেশে বহু দুর্গত লোক আছেন, সবাই তো সরকারি আনুকূল্য দাবি করতে পারেন এবং তাদের প্রতি সরকারি সহায়তা থাকা উচিত। আমাদের দুর্ভাগ্য কারা মুক্তিযোদ্ধা এবং কারা মুক্তিযোদ্ধা নয়, তা ৪৮ বছরেও আমরা ঠিক করতে পারিনি। নতুন করে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা তৈরি করা ও রাজাকারের তালিকা করার মাধ্যমে নানা বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয় এবং অনেক ক্ষতিকার কাজও হয়। এ রকম ক্ষতিকর কাজগুলো থেকে সরকারের বিরত থাকা উচিত।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]