• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » শিশু-মাতৃমৃত্যু কমাতে কাজ করছে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আইইএম ইউনিট


শিশু-মাতৃমৃত্যু কমাতে কাজ করছে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আইইএম ইউনিট

আমাদের নতুন সময় : 14/11/2019

 

লাইজুল ইসলাম : পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অধিনে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠির বিবিধ উন্নয়নে মাঠ পর্যায়ে কাজ করা আইইএম ইউনিট মোট প্রজনন হার, শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার, পুষ্টিহীনতা, পরিচ্ছন্নতা ও নবজাতকের যতœসহ সামাজিক সমস্যা নিয়ে কাজ করে থাকে। প্রতিষ্ঠানটি প্রান্তিক নারীশিক্ষা নিশ্চিতকরণ ও বাল্য বিবাহ রোধে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।
গতকাল সোমবার আইইএমর পরিচালক ডাক্তার আশরাফুন্নেসা বলেন, সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এসডিজি অর্জনে মাতৃমৃত্যু হার কমাতে হবে। ২০১৮ সালের রিপোর্টে মাতৃমৃত্যুর হার ১৭০ ভাগ হলেও তা ২০৩০ সালের মধ্যে ৭০ ভাগে নামিয়ে আনা হবে। এজন্য সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক শিশু জন্ম হার ৪৭ শতাংশ। হাসপাতালে না যাওয়ায় শিশু মৃত্যু বাড়ছে। উপজেলায় কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। গর্ভবতী মায়েরা সচেতনতার অভাবে আসে না। গর্ভবতী মায়েদের হাসপাতালে যেতে উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। প্রত্যেক উপজেলায় প্রাতিষ্ঠানিক জন্মহার বাড়াতে মাঠকর্মীরা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে। সারাদেশে ৩৫টি জোনে ভাগ করে আইইএম ইউনিটের সদস্যরা কাজ করছে।
বাল্য বিবাহ কমাতেও কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে উল্লেখ করে আশরাফুন্নেসা বলেন, বাল্য বিবাহের কারণে ১৬ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে অনেক কিশোরি মা হয়ে যাচ্ছে। এখনো দেশে ৫৯ ভাগ বাল্য বিবাহ হচ্ছে। বাল্য বিবাহ ঠেকাতে একটি মন্ত্রণালয় কাজ করলে হবে না। সরকার মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু এর মাধ্যমে মেয়েরা কর্মক্ষম হয়ে উঠছে না। যার কারণেই বাল্য বিবাহ কমছে না। ব্যক্তি থেকে রাষ্ট্র পর্যন্ত সবার সচেতন হতে হবে।
তিনি বলেন, বাল্য বিবাহের কারণে অটিস্টিক, পুষ্টিহীন, অপূর্ণাঙ্গ শিশু জন্ম নিচ্ছে। কিশোরি মাতৃত্ব ও হাসপাতালে না যাওয়ার কারণে এখনো গর্ভবতী মায়ের মৃত্যু ও শিশু মৃত্যু হার কমছে না। সচেতনতা বাড়াতে পারলে এসব সমস্যার সমাধান সম্ভব। মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী (এমসিডাব্লিউসি) প্রত্যেক উপজেলায় দু’টি করে রাখার বিষয়ে প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। যাতে করে মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার কমবে বলে আশা করছেন এই কর্মকর্তা। সম্পাদনা : ভিক্টর কে. রোজারিও




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]