• প্রচ্ছদ » » আফতাব আহমেদের সঙ্গে গুলতেকিন খানের যেভাবে প্রেম-বিয়ে


আফতাব আহমেদের সঙ্গে গুলতেকিন খানের যেভাবে প্রেম-বিয়ে

আমাদের নতুন সময় : 15/11/2019

পীর হাবিবুর রহমান

আমি গুলতেকিন ও আফতাবের নতুন জীবনকে অভিনন্দন জানাই। তাদের সুখময় আনন্দের জীবন চাইছি। গুলতেকিন সম্ভ্রান্ত ধনাঢ্য পরিবারের মেয়ে হয়েও চালচুলাহীন নাম যশহীন ঢাবির তরুণ শিক্ষক হুমায়ূনকে বিয়ে করেছিলেন। তিনি উচ্চশিক্ষিত একজন সৎ মর্যাদাবান নারী। জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা হুমায়ূন তাকে ডিভোর্স দিলে বিচ্ছেদের পর দীর্ঘ সময় সন্তানদের আগলে রেখেছেন। একাকীত্বের যন্ত্রণা ভোগ করেছেন। আমলা কবি আফতাবকে পরিচয় বন্ধুত্বের পর ভালোবেসেছেন, ঠকাননি। সততার সঙ্গে বিয়ে করেছেন। তার প্রতি সম্মান বেড়েছে। প্রতিটি মানুষের সুখী হওয়ার অধিকার আছে।
কদিন আগে কলকাতায় এক তরুণী তার সিঙ্গেল মাদারের জন্য পাত্র চেয়ে বিজ্ঞাপন দিয়েছে। তারপর এক তরুণ। এভাবেই সমাজ অগ্রসর হচ্ছে, সমাজের আরোপিত অঘোষিত নিয়ম ভাঙছে। এটা আনন্দের। গুলতেকিন যুবও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কবি আফতাব আহমেদকে দু’সপ্তাহ আগে বিয়ে করে আমেরিকা গেছেন। ফিরেই বিবাহোত্তর সংবর্ধনা। সাত বছর আগে পরিচয়, তারপর প্রেম, অবশেষে বিয়ে। গুলতেকিন আফতাবকে নিয়ে কবিতাও লিখেছেন। তাকে নিয়ে সন্তানসহ সময় কাটিয়েছেন। আফতাবের প্রথম স্ত্রী ব্যারিস্টার ছিলেন। দশ বছর আগে ডিভোর্স। সন্তান লন্ডনে। গুলতেকিনের বয়স এখন ৫৬। চার সন্তান।৭৩ সালে হুমায়ূন আহমেদকে বিয়ে করেন। তাদের চার সন্তান।২০০৩ সালে তাদের ডিভোর্স, ২০০৫ সালে শাওনকে হুমায়ূন বিয়ে করলেও গুলতেকিন বিয়ে করেননি। কবিতা লিখেন। ২০১২ সালে হুমায়ূন আহমেদ তুমুল জনপ্রিয়তা নিয়ে ক্যান্সারে মারা যান। ৫ অক্টোবর গুলতেকিন স্ট্যাটাস দেন যৌথ ঘোষণা বলে, এবার আসুক ঝড়, উঠুক তুফান। ৫ নভেম্বর আফতাব ইংরেজিতে স্ট্যাটাসে বলেন, একদিন সে সামনে বসিয়ে হাত ধরে বললো, পৃথিবীতে সবাইকে মরতে হবে, কিন্তু আমি তোমাকে ছেড়ে যেতে চাই না। নিঃশ্বাস নিতে চাই। আফতাব বললেন, তোমাকে বাঁচাতে পারি, কিন্তু পথ একটাই বিয়ে। কিছুটা থেমে গুলতেকিন প্রশ্ন করলেন তুমি আমাকে বিয়ে করবে? তারপর দুজন সেই পথটাই নিলেন। বিয়ে করেছেন। তার জীবন সুখময় হোক। গুলতেকিন তার এক স্বজনকে বলেছেন, আফতাবের মনটা সুন্দর, যা তাকে আকর্ষণ করেছে। খবরটি নিউইয়র্ক থেকে পেয়ে বিভিন্ন সূত্রে বাংলাদেশ প্রতিদিনের জন্য নিশ্চিত হতে গিয়ে অনেকের সঙ্গে কথা বলি, এতে অনেকেই ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন। বিয়ে কাজী অফিসে নয়, গুলতেকিনের বাসায় হয়েছে। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]