• প্রচ্ছদ » » ইসলাম, খ্রিস্টান ও ইহুদি ধর্মে বিধবাদের সম্মান দেয়া হয়েছে, ধর্মীয় রীতি মেনেই বিয়ে করেছেন গুলতেকিন খান ও আফতাব আহমেদ


ইসলাম, খ্রিস্টান ও ইহুদি ধর্মে বিধবাদের সম্মান দেয়া হয়েছে, ধর্মীয় রীতি মেনেই বিয়ে করেছেন গুলতেকিন খান ও আফতাব আহমেদ

আমাদের নতুন সময় : 15/11/2019

রাশিদ রিয়াজ : দ্বিতীয় বিয়ে করার পর গুলতেকিন খান ও আফতাব আহমেদকে অনেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ইসলাম, খ্রিস্টান, ইহুদি এই তিন ধর্মেই বিধবাদের সম্মান দেয়া হয়েছে। তাদের জীবন নিরাপদে, সুন্দরভাবে পার করার জন্য আবারও বিয়ের অনুমতি দিয়েছে। বিধবাদের ঠিকমতো দেখাশোনা করার দায়িত্ব সমাজের উপর দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিধবাদের যতœ নেয়ার বিনিময়ে সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে বড় পুরস্কারের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। অথচ আমরা দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে অহেতুক সমালোচনা ও বিষয়টি এখনো ঘৃণার চোখে দেখি যার কোনো সুযোগ নেই ধর্মতেও। এমনকি বেশিরভাগ পুরুষ দ্বিতীয় বিয়ে করার সময় বিধবাদের কথা চিন্তাও করে না। রাসূলের (সা.) মাত্র একজন স্ত্রী ছিলেন কুমারী, আর বিভিন্ন সময়ে আটজন স্ত্রী হয়েছিলেন বয়স্ক বিধবা। আল্লাহ বিধবাদের প্রতি খুবই সদয় আচরণ করার কথা বলেছেন। তিনি কোরআনে বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা স্ত্রী রেখে মারা যায়, তাদের স্ত্রীরা চার মাস দশ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। যখন সেই সময় (ইদ্দত) পার হবে, তখন যদি তারা গ্রহণযোগ্য-সুন্দরভাবে নিজেদের ব্যাপারে কিছু করতে চায়, তাহলে তোমাদের কোনো গুনাহ হবে না।

তোমরা যা কিছুই করো, আল্লাহ তার সব জানেন। (আল-বাক্বারাহ ২৩৪) তারপর ইদ্দত পূরণ করার পর বিধবা ইচ্ছা করলে আবার বিয়ে করতে পারেন। গ্রহণযোগ্যভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারেন। আল্লাহ বলেছেন, বিধবা নিজেই সবার কাছে ভালো বলে পরিচিত এমন কিছু, কোনো কাজ বা কিছু যার ফলাফল যে ভালো হবে তা যুক্তি দিয়ে বোঝা যায়, এমন কোনো কাজ যা শরিয়ার ভিত্তিতে ভালো, সুন্দর আচরণ, সমতা, মমতা, কল্যাণকর, আন্তরিকতা, সৎ উপদেশের ভিত্তিতে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। অনেকে নিজেদের পরিবারের খানদানি সম্মান চলে যাবে ভেবে বিধবাদের বিয়ে দিতে চান না। এটা অন্যায়। আল্লাহ বিধবাদের অধিকার দিয়েছেন, বিধবারা নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করলে অভিভাবকদের কোনো দোষ হবে না। ধর্মে এও বলা হয়েছে এতে বাধা দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। গুলতেকিন ও আফতাবের বিয়ে সম্পর্কে তাদেরই দেয়া স্ট্যাটাসের দুটি লাইন ধর্মীয় সৌন্দর্যের প্রতীক হয়ে ধরা দিয়েছে। ‘তিনি (গুলতেকিন) আমাকে তার সামনে বসালেন এবং আমার হাতে হাত রেখে বললেন, ‘প্রত্যেকেরই মৃত্যুর স্বাদ পেতে হবে। কিন্তু আমি তোমাকে ছেড়ে যেতে চাই না। আমি নিঃশ্বাস নিতে চাই। তবে নিশ্চিত নই ভবিষ্যৎ কোন নিয়তিতে গাঁথা।’ আফতাব আহমেদ জবাবে বললেন, আমি চেষ্টা করবো তোমাকে বাঁচাতে, কিন্তু তোমাকে বিয়ে করা ছাড়া এটা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।’ এ সময় একটু বিরতি নিয়ে গুলতেকিন বললেন, তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে? এবং আমি অনুমান করতে পারি, আমরা দুজনই কোনো কারণ ছাড়া একসঙ্গে হতে পারবো না।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]