চালকের লাইসেন্সসহ কাগজপত্র হালানাগাদের জন্য একমাস সময় বৃদ্ধির আবেদন পরিবহণ মালিক সমিতির

আমাদের নতুন সময় : 15/11/2019

 


সুজন কৈরী : বেশ কিছু সংযুক্তি, পরিবর্তন ও কঠিন শাস্তির বিধান রেখে গত এক নভেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া নতুন সড়ক পরিবহন আইনের বয়স মাত্র ১৫ দিন। কার্যকরের পর প্রথম দুয়েকদিনে সড়কে পরিবহন সংখ্যায় কম থাকলেও গতকাল বৃহস্পতিবার সেই আগের চিত্রই দেখা গেছে রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে।
গতকাল রাজধানীর খামারবাড়ি, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, মগবাজারসহ বাংলা মোটর ও শাহবাগ ঘুরে দেখা যায়-স্টপেজ না মেনে গণপরিবহনে যাত্রী ওঠা-নামা, মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে যানবাহন চালানোসহ আইন অমান্য করছেন।
নতুন আইনের বিষয়ে বাস মালিক-শ্রমিক সমিতি, চালক-হেলপার ও পথচারীদের নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালাচ্ছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। প্রত্যেকটি ট্রাফিক জোনেই প্রায় প্রতিদিনই সভা-সমাবেশ করা হচ্ছে। গতকাল ট্রাফিক উত্তর বিভাগের এয়ারপোর্ট, উত্তরা, বাড্ডা, গুলশান, মহাখালী ও শিল্পাঞ্চল ট্রাফিক জোনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সচেতনতা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
নতুন আইন প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেন, নতুন আইন সম্পর্কে প্রচার-প্রচারণা করা দরকার, সংশ্লিষ্টরা অনেকেই বিষয়টি জানে না। তবে সঠিকভাবে আইন বাস্তবায়নে সুফল পাওয়া যাবে। আইন মেনে চলতে সারা দেশের মালিকদের বই পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮: সড়কে শৃক্সক্ষলা, যাত্রীদের নিরাপত্তা ও শ্রমিকের সুরক্ষা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বিশিষ্ট কলামিস্ট ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, নতুন এ আইন পুনর্বিবেচনা করা দরকার। আইনটি তাড়াহুড়ো করে করা হয়েছে। ছাত্ররা আন্দোলনের প্রেক্ষিতে হুট করেই আইনটি করা হয়েছে। এই আইনে পরিবহন শ্রমিকদের হেয় করা হয়েছে সম্পাদনা : ওমর ফারুক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]