• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » সিদ্ধেশ্বরীর সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলা ৩০ বছর পর চার আসামি গ্রেপ্তার


সিদ্ধেশ্বরীর সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলা ৩০ বছর পর চার আসামি গ্রেপ্তার

আমাদের নতুন সময় : 15/11/2019

সুজন কৈরী : রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় ভিকারুননেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে সগিরা মোর্শেদ সালামকে গুলি করে হত্যা মামলার চার আসামিকে ৩০ বছর পর গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রেপ্তারকৃত চারজন হলেন- সগিরার স্বামীর ভাই ডা. হাসান আলী চৌধুরী, তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা শাহীন, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের কর্মকর্তা আনাস মাহমুদ রেজওয়ান ও আবাসন ব্যবসায়ী মারুফ রেজা। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে পিবিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, গত ১০ নভেম্বর আনাস মাহমুদ, ১১ নভেম্বর হাসান আলী চৌধুরী ও তার স্ত্রী, ১৩ নভেম্বর মারুফ রেজাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা সবাই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার জানান, ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই মেয়েকে স্কুল থেকে আনতে গিয়ে হত্যার শিকার হন সগিরা মোর্শেদ। তার স্বামী আব্দুছ ছালাম চৌধুরী রমনা থানায় মামলা করেন। এই মামলায় মন্টু নামে একজনকে দায়ী করে অভিযোগপত্র দাখিল করে ডিবি পুলিশ। মামলাটি দীর্ঘদিন আদালতে চাপা পড়ে থাকার পর চলতি বছরের ১১ জুলাই পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। তিনি বলেন, এই হত্যাকা-ে সম্পৃক্ততা পাওয়ায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিলের জন্য আরো দুমাস সময় চাওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে অভিযোপত্র দাখিল করা হবে।
হত্যার কারণ সম্পর্কে পিবিআই প্রধান বলেন, নিহত সগিরা ও গ্রেপ্তার সায়েদাতুল মাহমুদা শাহীন সম্পর্কে জা। পারিবারিক দ্বন্দ্বে সগিরাকে শায়েস্তার জন্য মারুফ রেজার সঙ্গে চুক্তি করা হয়। সায়েদাতুলের পরিকল্পনায় যুক্ত হন তার স্বামীও। তার রোগী ছিলেন আনাস মাহমুদ রেজওয়ান। শায়েস্তা করার কথা আনাস মাহমুদকে জানান হাসান আলী। তখন আনাস মাহমুদ মারুফ রেজাকে কাজ দেন। ওই অনুযায়ী মারুফ রেজা প্রথমে ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন। বাধা দেয়ার পর সগিরা মোর্শেদকে গুলি করেন। এতেই তিনি মারা যান। সম্পাদনা : ভিক্টর কে. রোজারিও




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]