• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » সুবিধাবাদীরা দল ছাড়লে বিএনপির শক্তিতে ভাটা পড়বে না বরং দল লাভবান হবে, অভিমত দলীয় নেতা-বিশ্লেষকদের


সুবিধাবাদীরা দল ছাড়লে বিএনপির শক্তিতে ভাটা পড়বে না বরং দল লাভবান হবে, অভিমত দলীয় নেতা-বিশ্লেষকদের

আমাদের নতুন সময় : 16/11/2019

 

শিমুল মাহমুদ : বিএনপি প্রতিষ্ঠাকালীন মহাসচিব ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমেদ ও ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার পদত্যাগের ক্ষতকে আবারো উসকে দিয়েছে দুই সিনিয়র নেতা এম মোর্শেদ খান ও সাবেক সেনাপ্রধান মাহবুবুর রহমানের দলত্যাগের ঘটনা।
সম্প্রতি বিএনপির সিনিয়র নেতাদের পদত্যাগে দলটির শক্তিতে কোনো ভাটা পড়বে না বলে মনে করছেন দায়িত্বশীল নেতারা। তারা বলছেন, পদত্যাগী নেতারা কেউ সাবেক আমলা, ব্যবসায়ী কিংবা সামরিক কর্মকর্তা। কেউ মাঠের রাজনীতিক নন। তারা সুসময়ে দলে আসে আবার সুযোগ বুঝে চলে যায়। ক্ষমতায় থাকতে সর্বোচ্চ সুবিধা নেয়া এসব নেতাদের কখনই রাজপথে দেখা যায়নি। তাই সুসময়ে দলে আসা নেতারা দল ছাড়লে বিএনপির কিছু যায় আসে না, বরং দলের জন্য মঙ্গল। দলে ঠাঁই হবে পরীক্ষিত ত্যাগী নেতাদের।
এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, রাজনীতি একটি স্বেচ্ছামূলক কাজ। আপনি এখানে জনগণের সেবা করতে আসছেন, কিছু দিতে আসছেন। এখানে নেয়ার জন্য আসেননি। কিন্তু, একটা পর্যায়ে যদি আপনি মনে করেন আপনি থাকবেন না তাহলে সে অপশন আপনার আছে।
বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, তারা পদে থাকাকালীন দলের জন্য কোনও অবদান রাখতে পারেননি। তারা ব্যর্থতা ঢাকার জন্যই পদত্যাগ করছেন। আর যাওয়ার আগে উল্টাপাল্টা মন্তব্য করছেন।
নির্বাহী কমিটির আরেক সদস্য শেখ রবিউল আলম বলেন, যারা পদত্যাগ করেছেন তাদের বেশিরভাগই আমলা বা ব্যবসায়ী ছিলেন। তারা সুসময়ে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে থাকতে পছন্দ করেন। এটা তাদের চরিত্রের অংশ। আর রাজনীতিবিদরা দলের দুঃসময়ে থাকতে পছন্দ করেন।
বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান বীর উত্তম ব্যারিস্টার মোহাম্মদ শাহজাহান ওমর বলেন, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ভাইস-চেয়ারম্যানদের একটা তালিকা আছে, যারা অনেকেই চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত। এরা দলকে কিছু দিতে পারে না, উল্টো দলের সুনাম নষ্ট করে।
গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবী ডা. জাফরুল্লহ চৌধুরী পদত্যাগ করা নেতাদের সম্পর্কে জানান, এসব নেতারা পদত্যাগ করলে বিএনপি খুব লাভবান হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, যারা পদত্যাগ করেছেন তারা কেউ জননেতা নন, এরা একটি দলের নেতা, বিএনপির নেতা। আজ আছে তো কাল নেই। এদের আসা-যাওয়ায় কোনো রাজনৈতিক দলের কিছুই যায় আসে না।
এর আগে, পদত্যাগ করেছেন ভাইস-চেয়ারম্যান শমসের মুবিন চৌধুরী, মোছাদ্দেক আলী ফালু, ইনাম আহমেদ চৌধুরীর মতো জ্যেষ্ঠ নেতারা। পদত্যাগপত্র দিয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও দলের কেন্দ্রীয় নেতা আরিফুল হক। সম্পাদনা : ভিক্টর কে. রোজারিও




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]