• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » এলডিপির ভাঙ্গন : নতুন অংশের সাত সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি, নিজেকে প্রধান নেতা দাবি অলি আহমদের


এলডিপির ভাঙ্গন : নতুন অংশের সাত সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি, নিজেকে প্রধান নেতা দাবি অলি আহমদের

আমাদের নতুন সময় : 18/11/2019

শিমুল মাহমুদ : গত ৯ নভেম্বর কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত অলি আহমেদকে সভাপতি এবং ড. রেদোয়ান আহমেদকে মহাসচিব করে এলডিপির নতুন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। এই কমিটি থেকে বাদ পড়েন দলটির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম। তারপর থেকেই মূলত দলটির মধ্যে ভাঙনের সুর ওঠে। গতকাল সোমবার এর চূড়ান্ত রূপ পায়। সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে এলডিপির ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন করে সভাপতিম-লীর সদস্য আবদুল করিম আব্বাসীকে আহ্বায়ক ও যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেনকে সদস্যসচিব করে সমন্বয় কমিটি ঘোষণা হয়। সংবাদ সম্মেলনে শাহাদাত হোসেন বলেন, ২০০৬ সালে বিএনপি থেকে বেরিয়ে এলডিপি গঠন অন্যায় ও পাপ হয়েছে। আশা করি বিএনপি সে অন্যায় এবং পাপের প্রায়শ্চিত্ত করার সুযোগ দেবে। আবদুল করিম আব্বাসী বলেন, উনি নিজের স্বার্থ ছাড়া অন্য কিছু চিন্তা করেন না। তিনি একবার এদিকে আরেকবার ওইদিকে দৌড়ান।
এরপর বিকেল তিনটায় জাতীয় প্রেসক্লাবে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন অলি আহমদ। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এলডিপি নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নিবন্ধিত এক নম্বর রাজনৈতিক দল। গত ১২ বছর ধরে আমি এই দলের সভাপতি। সুতরাং এই রাজনৈতিক দলকে অন্য কারও নেওয়ার আইনগত সুযোগ নেই; এমনকি কোনো অধিকারও নেই।
অলি আহমেদ বলেন, এলডিপি থেকে বাদ পড়ে যারা আজ নতুন কমিটি করেছে তারা আমার ভাইয়ের মতো ও সন্তান সমতুল্য। তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার শিক্ষা আমার বাবা-মা দেয়নি। বাংলাদেশে বহু দল আছে তারা না হলে আরও একটা করলো। তাতে ক্ষতির কি আছে? তিনি বলেন, তাদের ২০ দলীয় জোটে নেওয়া হবে কিনা এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই। সেটা ২০ দল সিদ্ধান্ত নেবে।
এর আগে শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, আমরা জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সঙ্গে সংযুক্ত থাকব এবং ২০ দলের অন্তর্ভুক্ত দলগুলোর সঙ্গেও সংযুক্ত থাকব। আমরা আশা করব, বিএনপি আমাদের স্বীকৃতি জানাবে। তিনি বলেন, অলি আহমেদ এলডিপিকে তার পৈতৃক সম্পত্তিতে পরিণত করেছেন। তিনি অকুণ্ঠ ভাবে জামায়াত ইসলামকে যেভাবে সমর্থন দিচ্ছেন, সার্টিফিকেট দিচ্ছেন, এটা পারেন না। এর সঙ্গে আমাদের দ্বিমত আছে। আমরা তার কমিটি মানি না।
এরআগে ২০০৬ সালে বিএনপির ক্ষমতার শেষ দিকে দলে বড় ধরনের বিদ্রোহ হয়। তখন বিএনপির ৩২ জন সাবেক মন্ত্রী ও এমপিসহ ১০২ জন নেতা একজোটে বেরিয়ে গিয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য অলি আহমেদের নেতৃত্বে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি গঠন করে। একপর্যায়ে এলডিপি ও এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর দল বিকল্পধারা বাংলাদেশ একীভূত হয়। অভ্যন্তরীণ দ্ব›েদ্ধ পরে দুই দল আলাদা হয়ে যায়। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]