• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » কালোবাজারে হন্যে হয়ে বিধ্বংসী অস্ত্র খুঁজছে পাকিস্তান, দাবি জার্মান গোয়েন্দাদের


কালোবাজারে হন্যে হয়ে বিধ্বংসী অস্ত্র খুঁজছে পাকিস্তান, দাবি জার্মান গোয়েন্দাদের

আমাদের নতুন সময় : 19/11/2019

রাশিদ রিয়াজ : শুধু পরমাণু অস্ত্র নয়, জৈব অস্ত্র ও?রাসায়নিক অস্ত্রেও বলীয়ান হতে চাইছে পাকিস্তান। সেজন্য তারা উপযুক্ত প্রযুক্তি হাতে পেতে, বলা ভাল ‘পাচার করতে’ মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। এই দাবি জার্মান গোয়েন্দাদের। জার্মান গোয়েন্দাদের এই দাবি ও জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যমে। পাকিস্তানের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া, পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের ডিরেক্টর জেনারেল ফৈয়াজ আহমেদ, প্রাক্তন ডিরেক্টর জেনারেল লেফটেন্যান্ট আসিম মুনির এর সব কিছুই জানেন। তাদের উদ্যোগ পাকিস্তান বেআইনিভাবে ঘুর পথে পরমাণু অস্ত্র, জৈব অস্ত্র, রাসায়নিক অস্ত্রের উন্নত প্রযুক্তি, কাঁচামাল, সংরক্ষণ পদ্ধতি হাতে পাওয়ার চেষ্টা করছে। চেষ্টা চলছে ২০১০ সাল থেকেই। ২০১৫ সালের পর চেষ্টাটা প্রবলভাবে বেড়েছে। এখনও একপ্রকার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে ইসলামাবাদ। আগামীদিনে পাকিস্তানের সামরিক এজেন্সিগুলির এই চেষ্টা আরও বাড়বে বলেই ইঙ্গিত মিলেছে। জার্মান গোয়েন্দা বিভাগ ও জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রণালয় উদ্বেগ জানিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সংবাদ প্রতিদিন
নভেম্বরের শুরুতে জার্মানির সরকার সে দেশের পার্লামেন্টে বামপন্থী দলের প্রতিনিধিদের প্রশ্নের উত্তরে সরকারিভাবে পাকিস্তানকে অভিযুক্ত করে এই তথ্যও জানিয়েছে। বামপন্থী দলের চার এমপি জার্মান সরকারকে প্রশ্ন করেছিলেন, কোনও বিদেশি রাষ্ট্র কি জার্মানি থেকে গোপনে এমন প্রযুক্তি কেনার চেষ্টা করছে যা দিয়ে পরমাণু, জৈব ও রাসায়নিক অস্ত্র বানানো যায়। জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ২০১০ সাল থেকে গোপনে ওই ধরনের প্রযুক্তি কেনার চেষ্টা ও প্রবণতা পাকিস্তানের বেড়েছে। প্রথমদিকে ইরান পরমাণু প্রযুক্তি কিনতে খুব উৎসাহ দেখিয়েছিল। কিন্তু ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে তাদের বিরুদ্ধে পশ্চিমি শক্তি জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন চালু হয়। তারপর থেকে ইরান আর ওই চেষ্টা করেনি।
জার্মান গোয়েন্দাদের রিপোর্টে বলা হয়েছে, জার্মানি ও অন্যান্য পাশ্চাত্য দেশ থেকে পরমাণু প্রযুক্তি পাওয়ার জন্য পাকিস্তানের প্রয়াস বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি তারা এমন পণ্য সংগ্রহ করতে চায়, যা পরমাণু, জৈব ও রাসায়ানিক অস্ত্র বানাতে কাজে লাগে। আগামী দিনেও তারা ওই ধরনের পণ্য সংগ্রহ করার চেষ্টা চালিয়ে যাবে মনে হয়। পাকিস্তানের হাতে এখন ১৩০ থেকে ১৪০ টি পরমাণু অস্ত্র আছে। তারা চায়, ২০২৫ সালের মধ্যে অন্তত ২৫০টি পরমাণু অস্ত্র (নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড) তৈরি করতে। যাতে ভারত সহ গোটা দুনিয়াকে মানসিকভাবে চাপে রাখা যায়।
এই খবর প্রকাশিত হওয়ার পর তৎপরতা বেড়েছে ভারতের নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকে। সন্দেহ করা হচ্ছে, পাকিস্তানকে এ ব্যাপারে সাহায্য করছে তুরস্কের সেনা ও গোয়েন্দারা। কারণ তুরস্ক এখন গোটা বিশ্বে পাকিস্তানের ‘একমাত্র কাছের বন্ধু’। জৈব অস্ত্র, রাসায়নিক অস্ত্র প্রযুক্তি পাকিস্তানের হাতে এলে লাভ হবে তুরস্কেরও। জার্মান গোয়েন্দাদের সন্দেহ, জার্মানির প্রযুক্তি হাতে পেতে তুরস্কের সরকারি নিরাপত্তা এজেন্সি পাকিস্তানের সঙ্গে গোপন যোগাযোগের কাজটি করছে। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]