• প্রচ্ছদ » » আন্তর্জাতিক আদালতের রায় মানার ইতিহাস আছে মিয়ানমারের, কিন্তু বাংলাদেশ মামলা করলো না কেন, প্রশ্ন ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেনের


আন্তর্জাতিক আদালতের রায় মানার ইতিহাস আছে মিয়ানমারের, কিন্তু বাংলাদেশ মামলা করলো না কেন, প্রশ্ন ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেনের

আমাদের নতুন সময় : 20/11/2019


আশিক রহমান : ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেছেন, গাম্বিয়া ও আর্জেন্টিনায় মামলা হওয়ায় মিয়ানমারের উপর চাপ সৃষ্টি হবে, কিন্তু এতে কতোটুকু নতিস্বীকার করবে দেশটি, তা নিয়ে সংশয় আছে। তবে মিয়ানমার এর আগে সমুদ্র আইন মেনে বাংলাদেশের সঙ্গে সমুদ্রসীমা ভাগাভাগি করেছে। আন্তর্জাতিক আদালতের রায় মানার ইতিহাসও আছে দেশটির। রাখাইন এলাকা পরিষ্কার করে চীন- ভারতের জন্য স্থাপনা তৈরি ও অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবেই প্রচার করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে মিয়ানমারকে প্রকৃতই কতোটুকু চাপে ফেলা যাবে, আদৌ চাপ হিসেবে দেশটি নেবে কিনা আমার সংশয় আছে।
তিনি আরও বলেন, মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়া মামলা করতে পারলো, আজেন্টিনায় মামলা হলো, কিন্তু বাংলাদেশ মামলা করলো না কেন? আমি খুশি হতাম যদি মিয়ানমারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ মামলা করতো। আন্তর্জাতিক আইনের মধ্যেই তো মামলার বিধান আছে। তাহলে কেন মামলা করতে পারলো না বাংলাদেশ? অন্য কোনো কৌশল আছে কিনা বাংলাদেশের আমি জানি না। তবে মামলাটা হওয়া উচিত ছিলো।
ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, মিয়ানমারকে সঠিক পথে আনা খুব কঠিন কাজ। কারণ সভ্যতা, সংস্কৃতিবর্জিত একটি রাষ্ট্র এটি। পরিপূর্ণভাবে সামরিক বাহিনী নিয়ন্ত্রিত। যেখানে অং সান সুচির মতো গণতন্ত্রের প্রবক্তাও একরকম হার মেনে গেলেন, প্রভাব বিস্তার করতে পারছেন না দেশটির ভেতরে থেকে, সেক্ষেত্রে বাইরে থেকে তাদের উপর কতোটা চাপ দেয়া যাবে? তবে আশার ক্ষেত্র একটিই, চীন-রাশিয়া-ভারত যদি সমন্বিতভাবে মিয়ানমারের উপর চাপ দেয়, তাহলে কাজ হবে। চীন এবং ভারতকে বুঝতে হবে, রোহিঙ্গা সংকট জিইয়ে রাখলে আঞ্চলিক নিরাপত্তাই শুধু নয়, বিশে^র নিরাপত্তাই বিঘিœত হবে।
মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের য্দ্ধু করা উচিত হবে না। যা করছে তার বিকল্পও এই মুহূর্তে নেই। কূটনীতিই একমাত্র ভরসা। সক্রিয় কূটনীতিটিই বাংলাদেশকে করতে হবে আরও তৎপরতার সঙ্গে। বিশে^র সব রাষ্ট্রকে বোঝাতে হবে, চীন-রাশিয়া ও ভারতকে বাংলাদেশের পাশে আনতে হবে।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]