• প্রচ্ছদ » » পরিবহন ধর্মঘটে শ্রমিকদের কিছু যুক্তিসঙ্গত দাবি রয়েছে, বললেন মনজুরুল আহসান খান


পরিবহন ধর্মঘটে শ্রমিকদের কিছু যুক্তিসঙ্গত দাবি রয়েছে, বললেন মনজুরুল আহসান খান

আমাদের নতুন সময় : 20/11/2019

নজরুল ইসলামের মতে, সাধারণ নাগরিকদের জিম্মি করে কোনো পক্ষই যেন কিছু না করে
আমিরুল ইসলাম : নতুন সড়ক আইন সংশোধনের দাবি আদায়ে সেই পুরনো কৌশল। ১৪ জেলায় আচমকা পরিবহন ধর্মঘট মালিক-শ্রমিকদের। এর ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে লাখো মানুষ। পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা নতুন সড়ক আইনকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে কিনা জানতে চাইলে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির উপদেষ্টাম-লীর সদস্য মনজুরুল আহসান খান বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের সঙ্গে সরাসরি আলাপ-আলোচনা করে সড়ক আইনের সমস্যাগুলোর সমাধান করা দরকার। নতুন সড়ক আইনের অন্যায় বিধানগুলো বাতিল করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, সড়ক আইনের যে বিষয়গুলো সংশোধন করা দরকার সেটা করা হয়নি নতুন এই সড়ক আইনে। লাইসেন্সের জন্য পরিবহন শ্রমিকদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে, কিন্তু নকল লাইন্সেস যারা ইস্যু করে তাদের তো বিআারটিএর সঙ্গে যোগসাজশ রয়েছে। নকল লাইসেন্স যারা ইস্যু করে তাদের জন্য শাস্তির বিধান নতুন সড়ক পরিবহন আইনে নেই। গাড়ির ফিটনেসের জন্য জরিমান করা হবে শ্রমিককে। গাড়ির ফিটনেসের জন্য দায়ী শ্রমিকরা নয়। তারা গাড়ি চালায়, আনফিট গাড়ি চালাতে তারা যদি অনিচ্ছা পোষণ করে তাহলে তাদের চাকরি থাকবে না। পরিবহন শ্রমিকদের চাকরির কোনো নিরাপত্তা নেই। তাদের কোনো অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার নেই। অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটারের কথা আইনে আছে, চুক্তি হয়েছে বহুবার কিন্তু সেটা বাস্তবায়ন করা হয়নি। গাড়ির ফিটনেসের জন্য মালিকের শাস্তির বিধান রাখা হয়নি। এসব সমস্যা নতুন সড়ক আইনে রয়ে গেছে। এ কারণে শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে ধর্মঘট ডেকেছে।
স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেছেন, সরকারপক্ষ, পরিবহন মালিক-শ্রমিকপক্ষ বার বার একসঙ্গে বসে আইন তৈরি করে এবং এই আইন কার্যকর হয় না। এটা খুব দুভর্গ্যজনক। প্রয়োজন হলে উভয়পক্ষকেই আবার বসতে হবে। সাধারণ নাগরিকদের জিম্মি করে কোনো পক্ষই যেন কিছু না করে।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]