কক্সবাজারে মাঠে পড়ে আছে ৩ লাখ টন লবণ

আমাদের নতুন সময় : 21/11/2019


ফরহাদ আমিন : উৎপাদন খরচের বিপরীতে লবণের মূল্য অনেক কম হওয়ায় বিক্রি না করেই ব্যবসায়ীরা টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কের দুপাশে অবিক্রিত লবণ মজুদ করেছেন। গত দুই মৌসুমের অবিক্রিত লবণ পর্যন্ত এখনো পলিথিন দিয়ে ঢেকে রেখেছেন।
বিসিক সূত্রে জানা যায়, গত মৌসুমে কক্সবাজারে ১৮লাখ ২৪হাজার মেট্টিক টন লবণ উৎপাদন হয়েছে। বিক্রির পর বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে লবণ মজুদ আছে ৩ লাখ মেট্রিক টন। আর সারা দেশে আগামী ২ মাসের লবণের চাহিদা পূরণের জন্য মজুদ আছে। লবণ নিয়ে পরিস্থিতি এমন অবস্থায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে খোদ কৃষক এবং ব্যবসায়ীরা পর্যন্ত চাষে আগ্রহ হারাতে বসেছেন।
বর্তমানে প্রতিমণ লবণ বিক্রি হচ্ছে ২শ টাকা। প্রতিকেজি ৫ টাকা দামে। প্রতিমণ লবণ উৎপাদনে কৃষকের খরচ পড়েছে দুইশ টাকার বেশি।
টেকনাফের লবণ ব্যবসায়ী কাওসার বলেন, গত দুই মৌসুমে এক হাজার ছয়’শ মেট্রিক টন লবণ অবিক্রিত রয়েছে। কারণ উৎপাদন খরচের চেয়ে মূল্য কম হওয়ায় পলিথিন দিয়ে ডেকে রেখেছি। গত মৌসুমে প্রতিমণ ২৪০টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমানে প্রতিমণ বিক্রি হচ্ছে ২০০টাকা দামে।
হ্নীলা লবণ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ছাবের খাঁন জানান, শুধু হ্নীলাতেই ১৫হাজার মেট্টিক টন লবণ অবিক্রিত পড়ে আছে। উৎপাদন খরচের চেয়ে মূল্য কম হওয়ায় লোকসান হচ্ছে বিধায় ওই লবণ এখনো জমা রেখেছেন। তিনি লবণের ন্যায্য মূল্য বৃদ্ধির জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বিসিক টেকনাফের ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান বলেন, মূল্য কম হওয়ায় টেকনাফেও ১৫হাজার মে. টন লবণ অবিক্রিত রয়েছে। বিসিক কক্সবাজারের উপ-মহাব্যবস্থাপক ছৈয়দ আহমদ বলেন, মূল্য না থাকায় কক্সবাজারসহ পুরো দেশে সাড়ে ৬ লাখ মেট্রিক টন লবণ অবিক্রিত আছে। সম্পাদনা : মুরাদ হাসান, ওমর ফারুক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]