• প্রচ্ছদ » টুকরো খবর » প্রাথমিক ৭৭ ও মাধ্যমিকের ৮৭ ভাগ বই পৌঁছেছে, চলতি মাসেই শতভাগ নতুন বই পৌঁছাতে প্রস্তুত এনসিটিবি


প্রাথমিক ৭৭ ও মাধ্যমিকের ৮৭ ভাগ বই পৌঁছেছে, চলতি মাসেই শতভাগ নতুন বই পৌঁছাতে প্রস্তুত এনসিটিবি

আমাদের নতুন সময় : 21/11/2019


সুলতান আহমেদ : নতুন বছর আসার আগেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছে দিতে তৈরি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার বই প্রস্তুুতকারক প্রতিষ্ঠান এনসিটিবি। নতুন বছর আসতে আরও ৪০ দিন বাকি। বছরের প্রথম দিনই নতুন বই হাতে পেয়ে আনন্দে মাতবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা। প্রয়োজনের তুলনায় বিপুল পরিমাণ নতুন বই শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দিতে ব্যস্ত সময় পার করছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। ইতিমধ্যে প্রাথমিকের ৭৭ ভাগ এবং মাধ্যমিকের ৮৭ ভাগ বই তৃণমুল পর্যায়ে স্কুলে স্কুলে পৌঁছে দিয়েছে এনসিটিবি। অবশিষ্ট বইও চলতি মাসের মধ্যেই পৌঁছে যাবে। এমনকি প্রাক-প্রাথমিক ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের ব্রেইল পদ্ধতির বই শতভাগ পৌঁছে গেছে।
এনসিটিবি সূত্র জানায়, এবার দেশের চার শতাধিক ছাপাখানায় নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণের কাজ হচ্ছে। তার মধ্যে প্রাথমিক স্তরের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির বই ছাপার কাজ পেয়েছে ৪৩টি প্রতিষ্ঠান। এ স্তরের দুই কোটি চার লাখ ৪১ হাজার ৫৯৫ শিক্ষার্থী পাবে ৯ কোটি ৮৫ লাখ পাঁচ হাজার ৪৮০ কপি নতুন বই। ৯৮টি ধাপে এগুলো ছাপানোর কাজ হচ্ছে। এসব বই জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বই পৌঁছে দিতে কাজ করছে ১৬ হাজার ৪০০ ট্রাক। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন) মো. বাহারুল ইসলাম আমাদের অর্থনীতিকে বলেন, ‘এ পর্যন্ত প্রাথমিকের ৭৭ ভাগ বই চলে গেছে। চলতি মাসের মধ্যেই বাকি বইগুলো পৌঁছে যাবে বলে আমরা আশাবাদী।’
এদিকে, এরই মধ্যে ৮৫ ভাগ বই তৃণমূল পর্যায়ে চলে গেছে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৯৭ হাজার ৫৭২ শিশুর জন্য প্রাক-প্রাথমিক, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির জন্য পাঁচটি ভাষায় রচিত দুই লাখ ৩০ হাজার ১০৩ কপি বই একত্রে ছাপানো হচ্ছে। ২৫ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পৌঁছে যাবে শতভাগ নতুন বই। এবছর বই ছাপানো হচ্ছে ৩৫ কোটি ৩১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৩৮ কপি। গতবার সবমিলিয়ে ছাপা হয়েছিলো ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮২ কপি বই। তার মধ্যে প্রাথমিক স্তরে ১০ কোটি ৫৪ লাখ দুই হাজার ৩৭৫ কপি বিনামূল্যের বই বিতরণ করা হয়। সে অনুযায়ী এবার বিনামূল্যে বিতরণের বইয়ের সংখ্যা বাড়ছে ১০ লাখ কপি। নতুন বই মুদ্রণের কাজে মোট ব্যয় হচ্ছে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা। যা আগের বছরের তুলনায় এবার বই ছাপাতে একশ কোটি টাকার বেশি খরচ কমেছে বলেও জানা গেছে।
এনসিটিবির সদস্য (অর্থ) মীর্জা তারিক হিকমত আমাদের অর্থনীতিকে বলেন, ‘২০২০ শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যের বই ছাপতে সরকারের প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে। প্রাথমিক স্তরের বই ছাপতে খরচ হচ্ছে ২৬৪ কোটি টাকা। মাধ্যমিক, ভোকেশনাল ও মাদ্রাসা শিক্ষাসহ মোট ৬৬৫ কোটি টাকা খরচ হবে।’ এনসিটিবির সূত্রমতে, কিছু মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান শুরুর পর থেকেই টেন্ডার জটিলতা, সময়মত কাগজ ও আর্টপেপারের মান যাচাই ছাড়পত্র না দেয়া, নিম্নমানের কাগজে বই ছাপানোর অভিযোগসহ নানা কারণে বই ছাপার কাজে বিলম্ব করেছে। তারপরও এই বিশাল কর্মযজ্ঞ প্রায় শেষ করতে সক্ষম হয়েছে এনসিটিবি ও মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলো। সম্পাদনা : রেজাউল আহসান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]