শ্রমিকরা নেতাদের কথা দ্বারা প্রভাবিত, বললেন ইলিয়াস কাঞ্চন

আমাদের নতুন সময় : 22/11/2019

শিমুল মাহমুদ : নতুন সড়ক পরিবহন আইন সংশোধনের দাবিতে গত কয়েকদিন ধর্মঘট পালন করেছে বাস-ট্রাক শ্রমিকরা। সর্বশেষ গত বুধবার রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে তারা। শ্রমিকদের এ আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে হামলা, শিক্ষার্থীদের সাথে দুর্ব্যবহার, চালকদের মুখে জোরপূর্বক পোড়া মবিল মেখে দেওয়াসহ চলচ্চিত্র নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের ছবিকে হেয় প্রতিপন্ন করার অভিযোগ উঠেছে।
ইন্টারনেট-ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ইলিয়াস কাঞ্চনের ছবি সম্বলিত ব্যানার টাঙিয়ে কিংবা কুশপুত্তলিকা তৈরি করে সেখানে জুতার মালা দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা রোধের জন্য যে আন্দোলন সেটি তার মাধ্যমেই শুরু হয়েছিলো। তার প্রতি শ্রমিকদের ক্ষিপ্ত হবার এটিই কারণ।
ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, শ্রমিকরা মনে করে, সড়ক দুর্ঘটনায় কারো হাত নেই। এটা আল্লাহর ইচ্ছায় হয়। আমি কেন বিষয়টা নিয়ে বলবো? তারা এটাই মনে করে। শ্রমিকদের কর্মকা- তাকে ভীষণ কষ্ট দিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, কখনো কখনো খারাপ লাগে। কোন কিছু পাওয়ার আশা না করেই আমি এতো কিছু জলাঞ্জলি দিয়েছি। আমার সিনেমার ক্যারিয়ার শেষ করেছি নিরাপদ সড়কের জন্য। সঞ্চিত অর্থ ব্যয় করেছি। তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার পেছনে মালিক-শ্রমিক নেতাদের উস্কানি রয়েছে বলেও মনে করেন এ চলচ্চিত্র নায়ক।
তিনি বলেন, এই শ্রমিকরা নেতাদের কথা দ্বারা প্রভাবিত। নেতারা যা বলে শ্রমিকরা তাই শোনে। তাদেরকে বলা হয়, সড়কে যা কিছু হোক না কেন আমরা আছি। সেটা ন্যায় হোক, অন্যায় হোক, যা কিছুই হোক।
ইলেয়াস কাঞ্চন প্রশ্ন তোলেন, এই মালিক সমিতির নামে শ্রমিক সমিতির নামে যে কোটি কোটি টাকা চাঁদাবাজি করে, সে চাঁদা কোন উন্নয়নের কাজে লাগে? মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনগুলোর নির্দেশে যদি আন্দোলন না হয়ে থাকে, তাহলে তাদের নির্দেশে আন্দোলন প্রত্যাহার হয় কিভাবে? মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনগুলো শ্রমিকদের উন্নয়ন চায় না। কারণ শ্রমিকরা যদি যথাযথ ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে কাজ করে তাহলে তার কাছ থেকে সংগঠনগুলো কোন চাঁদা নিতে পারবে না। সম্পাদনা : ভিক্টর কে. রোজারিও




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]