• প্রচ্ছদ » » উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আমরা একটি হাস্যকর অবস্থায় নিয়ে গেছি


উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আমরা একটি হাস্যকর অবস্থায় নিয়ে গেছি

আমাদের নতুন সময় : 30/11/2019

কামরুল হাসান মামুন : বিকাল তিনটায় ইন্ডিয়ান এসোসিয়েশন ফর কাল্টিভেশন অফ সায়েন্সে একটি টক্ দিতে এসেছিলাম। দুপর বারোটায় ওখানকার বিজ্ঞানী সৌরভ রায় আমাকে আমার গেস্ট হাউস থেকে কাল্টিভেশন অফ সায়েন্সে নিয়ে আসে। তারপর সেন্টারের অনেক গবেষকদের সঙ্গে একে একে অনেকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। তারপর সবাইকে নিয়ে একটি রেস্টুরেন্টে যাই এবং দুপুরের খাওয়া দাওয়া হয়। অনেকদিন পর এত্তো মজার এবং সুন্দর একটি রেস্টুরেন্টে একটি ভালো পরিবেশে খেলাম। তারপর আবার সেন্টারে ফিরে গল্প চলে। গল্পের ছলে জানতে পারলাম এখানকার প্রায় সবারই অন্তত একজন পোস্ট-ডক এবং দুয়েকজন বা তারও বেশি পিএইচডি ছাত্র আছে। এখানে কেউ অন্তত দুটি পোস্ট-ডক অভিজ্ঞতা ছাড়া ফ্যাকাল্টি পজিশন পায় না। আর আমাদের? সারা বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো পোস্ট-ডকতো দূরে থাকে পিএইচডি ছাত্রও নেই। অথচ আমাদের শত শত বিশ্ববিদ্যালয়।
সৌরভ ইতোমধ্যে আমাকে গোটা ক্যাম্পাস ঘুরিয়ে দেখিয়েছে। শিক্ষকদের রুম দেখলে মনে হবে যেকোনো ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ফ্যাকাল্টির রুম। সৌরভ আমাকে যখন যার রুমেই নিয়ে গেছে গিয়ে দেখি হয় ছাত্র নিয়ে গবেষণার আলোচনা করছে অথবা দুজন সহকর্মী গবেষণা নিয়ে কথা বলছে।কানো রকম রাজনীতির আলাপ প্রায় নেই বললেই চলে। এ রকম একটি পরিবেশ দেখে মনে হচ্ছিলো আহ! আমাদেরও যদি এমন পরিবেশ থাকতো। জানতে পারলাম স্টেট গভর্নমেন্টের অধীনে যেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আছে সেখানে কিছুটা রাজনীতি থাকলেও সেন্ট্রাল গভর্নমেন্টের অধীনে যেগুলো আছে সেগুলোতে রাজনীতি নেই বললেই চলে। সবাই পড়াশোনা আর গবেষণা নিয়ে ব্যস্ত। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের এখন এতো ভালো সম্পর্ক আমরা কেন অন্তত কলকাতার সঙ্গে শিক্ষা নিয়ে এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম করি না? দেশকে গবেষণা ও পড়াশোনায় এগিয়ে নিতে এটি একটি ভালো পথ হতে পারতো। কিন্তু আমাদের ভিসিদের কি এসব নিয়ে ভাবার সময় বা মগজ আছে? গোটা উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আমরা একটি হাস্যকর অবস্থায় নিয়ে গেছি। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]