• প্রচ্ছদ » » নানাভাবে ঋণ নিয়ে সরকারের ব্যয় নির্বাহ সবল অর্থনীতির জন্য স্বস্তিকর নয়


নানাভাবে ঋণ নিয়ে সরকারের ব্যয় নির্বাহ সবল অর্থনীতির জন্য স্বস্তিকর নয়

আমাদের নতুন সময় : 30/11/2019

মাহফুজুর রহমান

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদের ভাষায়, ‘যদি আমাদের শিল্প উৎপাদন বাড়তো, তাহলে তো ভ্যাট বাড়তো। আমাদের রাজস্ব আয় হতাশাব্যঞ্জক। আয়কর খাত থেকেও রাজস্ব বাড়ছে না। সরকার ঋণ করছে, সেই টাকায় যদি শুধু বেতন দেয়া হয় তাহলে তো পরিস্থিতি খারাপ। বড় বড় ঋণখেলাপি ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে। আটকে যাচ্ছে মাঝারি এবং ছোট আকারের খেলাপিরা। আমার কথা হলো তাদের সুযোগ দিয়ে তাদের প্রতিষ্ঠানগুলো সচল রাখুন, বড়দের ধরুন। তারা আসলে লুটপাটের সঙ্গে জড়িত।’ বাস্তবিকই বড় বড় ব্যবসায়ীরা মেক্সিমাম অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িত। আমাদের রপ্তানি আয় হতাশাব্যাঞ্জক। গার্মেন্টস আয় নিয়ে অনেকেই বলেন, তবে আমি এটাকে রাষ্ট্রীয় আয় বলবো না, কারণ তাদের রপ্তানি আয়ের একটি বিশাল অংশ বিদেশেই থাকে, নিয়ে আসে সামান্য একটি অংশ যা দিয়ে তারা শ্রমিক ও ফ্যাক্টরি ব্যয় নির্বাহ করে। তবে এটা অনেকেই বলতে পারেন যে আমাদের দেশীয় কিছু মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে। আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার মেইন যোগানদার হলো বৈদেশিক শ্রমজীবী মানুষ, তারাই যে কষ্টার্জিত অর্থ পাঠায় তাই আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে স্ফীত করছে। অভ্যন্তরীণভাবে আমাদের আয় নেই, শুল্ক ফাঁকি এটা তো আমাদের ডালভাত। তাহলে একটি সরকার চলবে কী করে? নানাভাবে ঋণ নিয়ে সরকারের ব্যয় নির্বাহ সবল অর্থনীতির জন্য পীড়াদায়ক। আর অভ্যন্তরীণভাবে আয় বাড়াতে বড় বড় ব্যবসায়ীদের কর রেয়াত দিয়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারিদের উপরে সেই ঝাল মেটানো নির্বুদ্ধিতার পরিচয়, এতে ভোটের রাজনীতিতে সমস্যা হতে বাধ্য। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]