• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » মাসে ৯ লাখ ১১ হাজার ৫৫৬ রোহিঙ্গাকে খাদ্য জুগিয়ে সঙ্কট নেই বাংলাদেশে, ডাব্লিউএফপির বিস্ময় প্রকাশ


মাসে ৯ লাখ ১১ হাজার ৫৫৬ রোহিঙ্গাকে খাদ্য জুগিয়ে সঙ্কট নেই বাংলাদেশে, ডাব্লিউএফপির বিস্ময় প্রকাশ

আমাদের নতুন সময় : 02/12/2019

 

আসিফুজ্জামান পৃথিল : এই বিপুল পরিমাণ রোহিঙ্গা ছাড়াও বাংলাদেশে ১২ লাখ ৪৫ হাজার মানুষ রয়েছেন, যাদের জাতীয় উৎপাদন ও আয়ে কোনও ভুমিকা নেই। তারা সম্পূর্ণভাবে অন্যের সহায়তার উপর নির্ভরশীল। তথা তারা ভিক্ষা করেন। ২০ লাখের বেশি নির্ভরশীল মানুষকে খাদ্য যোগায় বাংলাদেশ। কিন্তু বাংলাদেশ বর্তমানে খাদ্য উদ্বৃত্ত। প্রধান খাদ্যগুলোর কোনওটিই আর আমদানি নির্ভর নয়। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য দিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছে বিশ^ খাদ্য প্রকল্প-ডাব্লিউএফপি।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বেশ বড় ধরণের খাদ্য সঙ্কটে পরে বাংলাদেশ। অল্প সময়ের মধ্যেই তা রুপ নেয় দূর্ভিক্ষে। ৪ দশক সময়কালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা দ্বিগুনের বেশি বেড়েছে। কৃষিজমি কমেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। কিন্তু বাংলাদেশের খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে পৌঁনে ৩ গুণ। দূর্ভিক্ষের মধ্যে থাকা দেশটি এখন খাদ্য উদ্বৃত্ত। ডাব্লিউএফপির মতে এ ঘটনা রূপকথাকেও হার মানাও। সংস্থাটি বলছে সমন্বিত উৎপাদন পদ্ধতি আর প্রকৃতিকভাবেই এক জমিতে বহুবার কর্ষণের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন করাই এই সাফল্যের মূলে থাকা রহস্য।
এ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ একাধিক নতুন শষ্য সামনে এনেছে। এরমধ্যে সম্ভবত সবচেয়ে বড় সাফল্য ভুট্টা উৎপাদনে। কারণ এমন সময় এই শষ্য উৎপাদিত হয়, যখনমাঠে কোনও ফসল থাকে না। বিশ^ খাদ্য প্রকল্পের মতে, এই সাফল্যের কৃতিত্ব পাবে সরকার, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা আর কৃষিবিজ্ঞানীরা। তবে সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষক ও মাঠ কমকর্তাদেরই বলে ম,নে করে ডাব্লিউপিএফ। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]