• প্রচ্ছদ » » মূল্য বেশি পেলে পেঁয়াজ চাষে আগ্রহ বাড়বে কৃষকদের, বললেন আবু আহমেদ ড. আবদুল মজিদের মতে, সিন্ডিকেট চায় না পেঁয়াজের দাম কমে যাক


মূল্য বেশি পেলে পেঁয়াজ চাষে আগ্রহ বাড়বে কৃষকদের, বললেন আবু আহমেদ ড. আবদুল মজিদের মতে, সিন্ডিকেট চায় না পেঁয়াজের দাম কমে যাক

আমাদের নতুন সময় : 02/12/2019

আমিরুল ইসলাম : বাজারে দেশি নতুন পেঁয়াজ আসলেও সেটা বিক্রি হচ্ছে ১৮০-১৯০ টাকা। বিদেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৫০ টাকা। ইতোপূবে কর্তৃপক্ষ পেঁয়াজের দাম কমতে এক মাস সময় বেঁধে দিলেও বাজারে এর কোনো প্রতিচ্ছবি দেখা যাচ্ছে। এ রকম কতোদিন চলবে এবং পেঁয়াজের দাম কমছে না কেন জানতে চাইলে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, পেঁয়াজের বাজারে আসলে সরবরাহ কম। টিসিবি যদি ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করে তাহলে সব সিন্ডিকেট ভেঙে যাবে। কিন্তু এখন টিসিবির কাছেও পেঁয়াজ নেই। পেঁয়াজের ক্ষেত্রে যেহেতু আমদানির দরজা খুলে দেয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে সিন্ডিকেটের উপর দোষারোপ করা এখানে খাটে না। দেশি পেঁয়াজে খরচ বেশি। কৃষকেরা বেশি মূল্য পেলে সমস্যা নেই। এতে করে তারা আগামীতে পেঁয়াজ চাষ করতে আগ্রহী হবে। বাজারের ধর্ম অনুযায়ী সরবরাহের তুলনায় চাহিদা বেশি হলে দাম বাড়বেই। খুচরা বিক্রেতাদের দোষারোপ করেও কোনো লাভ নেই। এ ক্ষেত্রে আমরা কম পেঁয়াজ খেতে পারি।
এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ বলেন, নতুন পেঁয়াজের দাম ১৮০ টাকা হলে কৃষকেরা ভালো দাম পাবে এবং ভবিষ্যতে চাষ করার খরচ পেয়ে যাবে। এতে করে তারা পেঁয়াজ চাষে আরও বেশি আগ্রহী হবে। পেঁয়াজ চাষে আমাদের স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হবে। দেশি পেঁয়াজ ওঠা পর্যন্ত মানুষের সহ্য করা উচিত। নতুন পেঁয়াজ আসার পূর্ব মুহূর্তে সংকটের ধোঁয়া তুলে বিদেশ থেকে আনা এবং দাম বাড়িয়ে দেয়া আমাদের বাজার ব্যবস্থাপনার বাজে একটা লক্ষণ। এটা আমাদের অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত। মানুষ যেহেতু বেশি দামে পেঁয়াজ কিনছে তাই সিন্ডিকেটকারীরা চাচ্ছে না দাম কমে যাক। এজন্য তারা আরও বেশি সংকট তৈরি করে বাজারদরটাকে দীর্ঘস্থায়ী করছে। সিন্ডিকেট ভাঙার ব্যাপারে রাষ্ট্রের কর্মদক্ষতা তেমন চোখে পড়ছে না। পেঁয়াজের আমদানিনির্ভরতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষক যেন ভালো দাম পান সে ব্যবস্থা করতে হবে। বাজারে সরবরাহে নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ করতে পারলে দুয়েক বছরেই পেঁয়াজের সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যে নিজেদের নিয়ন্ত্রণাবস্থা বজায় রেখে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হবে। দেশের ভেতরের ও বাইরের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আমরা যেন ক্ষণভঙ্গুর পরিস্থিতিতে না পড়ি।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]