মানবতাবিরোধী অপরাধে কায়সারের আপিলের রায় ১৪ জানুয়ারি

আমাদের নতুন সময় : 04/12/2019

নূর মোহাম্মদ : গতকাল শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চে এ দিন ধার্য করেন। ১৫২ জনকে হত্যা-গণহত্যা, ২ নারীকে ধর্ষণ, ৫ জনকে আটক, অপহরণ, নির্যাতন এবং দুই শতাধিক বাড়ি-ঘরে অগ্নিসংযোগের দায়ে ২০১৫ সালে জাতীয় পার্টির সাবেক প্রতিমন্ত্র কায়সারকে মৃত্যদ- দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরধ ট্রাইব্যুনাল। রায়ের এক মাসের মধ্যে খালাস চেয়ে আপিল করেন তিনি। এরপর ২০১৭ সালের ১৩ আগস্ট এক আদেশে আপিল বিভাগ আপিলের সার সংক্ষেপ দাখিলের নির্দেশ দেয়। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকার পর চলতি বছরের ১০ জুলাই শুনানি শুরু হয়।
এদিকে আপিল বিভাগেও কায়সারের মৃত্যুদ- বহাল রাখার আর্জি জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। নিজ কার্যালয়ে তিনি বলেন, যে দু’টি অভিযোগে তাকে মৃত্যুদ- দেয়া হয়েছে তার মধ্যে একটি হলো হিরামণি সাঁওতালকে ধর্ষণের জন্য। পাকিস্তানি আর্মিকে ইশারা দিয়ে ভিতরে দেয়া এবং পরে তাকে ধর্ষণ করা। এরফলে তার গর্ভে একটি সন্তান জন্ম নিয়েছিলো। সেই সন্তানটি দেখতে সাঁওতালদের মতো না। এ কারণে সে অনবরত ধিক্কার পাচ্ছিলো। পরে সে এক সময় আত্মহত্যা করে।
আরেকজন ছিলো মাজেদা। যাকে আসামি কায়সার পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছিলো। সেও ধর্ষিত হয়েছিলো। তারও একটি মেয়ে সন্তান হয়। সে মেয়েটিও সারাটি জীবন ধিকৃত হয়ে জীবনযাপন করেছে।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, একজন মানুষকে হত্যা করলে তখনই শেষ হয়ে যায়। কিন্তু ধর্ষিতা যে তার জন্য প্রতিদিনই মৃত্যু। মুক্তিযুদ্ধের সময় কেউ মারা গেলে ওই পরিবারের সদস্যরা গর্ব করে বলে তার পরিবারের লোক শহীদ হয়েছে। কিন্তু ধর্ষণের ঘটনা ঘটলে সেটি কেউ বলতে পারে না, তার পরিবারের কেউ ধর্ষিত হয়েছে। এই যুক্তি দেখিয়ে আমি বলেছি, এই দুটি অভিযোগে যাতে মৃত্যুদ- বহাল রাখা হয়। সম্পাদনা: খালিদ আহমেদ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]