• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » সীমান্ত এলাকা দিয়ে চলছে সোনা চোরাচালান নজরদারি বাড়িয়েছে বিজিবি


সীমান্ত এলাকা দিয়ে চলছে সোনা চোরাচালান নজরদারি বাড়িয়েছে বিজিবি

আমাদের নতুন সময় : 04/12/2019

 

ইসমাঈল ইমু : শাজহাজালাল বিমান বন্দরে প্রায়ই ধরা পড়ছে সোনার চালান। বিমানের সিটে বাথরুমে আবার যাত্রীর পেটেও মিলছে সোনার বার। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তৎপরতায় ধরা পড়ছে এসব চালান। আর এ সুযোগে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন্ সীমান্ত দিয়ে পাচার হচ্ছে কোটি কোটি টাকার সোনার বার। আন্তর্জাতিক সোনা চোরাকারবারিরা এসব সীমান্ত এলাকা সোনা পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহার করছে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি কর্মকর্তারা বলছেন, সোনা পাচারকারীরা এখন ভিন্ন ভিন্ন পন্থা অবলম্বণ করে পাচারের চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে বিজিবির কঠোর তল্লাশি ও নজরদারির কারণে এখন বড় কোনো চালান পাচার করতে পারছে না চোরাকারবারিরা।
জানা গেছে, সোনা পাচারের সীমান্তগুলোর মধ্যে সাতক্ষীরার কাকডাঙ্গা বেনাপোলের আমড়াখালী চেকপোস্ট ও চুয়াডাঙ্গার জয়নগর অন্যতম। সোনা পাচারকারীরা এসব সীমান্তকে নিরাপদ রুট হিসেবে বেছে নিয়েছে। ভারতের সোনাচোরাচালানীরা শুধু সোনাই পাচার করছে না, সাথে ডলারও পাচার করছে বলে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র দাবি করেছে।
গত ২২ নভেম্বর সাতক্ষীরার সীমান্তের কাকডাংগা বিওপির এলাকায় ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের টহল দল বিপুল সোনাসহ একটি কাপড়ের পুটলি উদ্ধার করে। এর আগে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে ও্ পুটলির বাহক পালিয়ে যায়। উদ্ধারকৃত সোনার বাজার মুল্য ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
এর আগে যশোরের সীমান্ত হতে ২ কেজি ৭৮৩ গ্রাম ওজনের ১০টি সোনারবারসহ দুই সোনা পাচারকারীকে আটক করেছে বিজিবি। গত ১৩ নভেম্বর বিজিবির সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ৭৮৫ গ্রাম আটটি সোনারবারসহ রবিউল নামের একজনকে আটক করে। একই দিন যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯বিজিবি) ঘিবা বিওপি কর্মকর্তারা এক কেজি ৯৯৮ গ্রাম সোনারবার আটক করেছে। ওইদিন খুলনা ব্যাটালিয়নের (২১ বিজিবি) অধীনস্থ দৌলতপুর বিওপির টহল দল সীমান্ত পিলার ১৭/৭ এস পিলার থেকে ১৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তর থেকে মোছা মনিরা খাতুন (৩৫) নামে এক নারীকে আটক করেছে। তার কাছ থেকে ছয়টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। আর খুলনা ব্যাটালিয়নের (২১ বিজিবি) অধীনস্থ দৌলতপুর বিওপির টহল দল একজন ভারতীয় নাগরিকসহ ১০টি সোনারবার আটক করা হয়। আটক ভারতীয় নাগরিকের নাম গোপাল সরকার (৬০)। চব্বিশপরগনার বনগাঁও এলাকার মৃত শিবুপদ সরকারের ছেলে তিনি। এছাড়া গত ১৪ অক্টোবর আরআইবির তথ্যের ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬-বিজিবি) দর্শনা আইসিপির টহল দল চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদার জয়নগর সীমান্তের ২৪ ভরি এক আনা তিন রতি সোনা উদ্ধার করে। গত ৯ অক্টোবর কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) একটি দল কাতলামারী প্রেট্রোল পাম্প থেকে মেহেরপুরগামী জেআর পরিবহনে তল্লাশি চালিয়ে মো. রিপন মিয়াকে (২৯) আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ১০০ গ্রাম ওজনের ৭৬টি বার উদ্ধার করা হয়।
সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ গোলাম মহিউদ্দিন খন্দকার জানান, পাচারকারীরা দীর্ঘদিন যাবত হুন্ডি, মাদক চোরাচালান, সোনা ও রৌপ্যও পাচার করে আসছে। তাদেরকে আটক করতে বিজিবির বিশেষ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গোয়েন্দা তৎপরতাসহ অভিযান জোরদার করা হয়েছে। সম্পাদনা : খালিদ আহমেদ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]