• প্রচ্ছদ » সর্বশেষ » রাইড শেয়ারিং বাইকারদের পোশাক জরুরি বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন সাধারণ চালকরা


রাইড শেয়ারিং বাইকারদের পোশাক জরুরি বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন সাধারণ চালকরা

আমাদের নতুন সময় : 05/12/2019


ইসমাঈল ইমু : রাইড শেয়ারিং বাইকারদের জন্য সাধারণ বাইক চালকরা প্রতিনিয়ত বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ট্রাফিক সিগনালে দাঁড়ালেই বাসের জন্য অপেক্ষারত মানুষ বাইকের সামনে এসে কোথায় যাবেন জানতে চান। যারা রাইড শেয়ারিংয়ের বাইকার তারা সহসাই যাত্রী তুলে নিচ্ছেন। মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাওয়ার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না।
পেশায় ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনের বাসা রাজধানীর মাতুয়াইলে। প্রতিদিনই তিনি ব্যবসায়িক কাজে নিজের মোটরসাইকেলে চলাফেরা করেন। তিনি বলেন, রাইড শেয়ারিং মানে আমি কোথাও যাচ্ছি, সুযোগ থাকলে অ্যাপের মাধ্যমে কাউকে নিয়ে যাব। এতে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে- রাইড শেয়ারিংয়ের আওতাভুক্ত মোটরসাইকেল চালকদের অধিকাংশ সিএনজিচালিত অটোরিকশার মতো, ফুল টাইম রাস্তায় থাকেন, মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকেন, অনেকে অ্যাপও ব্যবহার করেন না। এ অবস্থায় রাইড শেয়ারিং আর থাকল কোথায়? যদি তারা সিএনজিচালিত অটোরিকশার পদ্ধতিতেই চলতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন, তাহলে তাদের মতো নির্ধারিত পোশাক দেয়া বাঞ্ছনীয় বলে মনে করেন তিনি।
ফেসবুকভিত্তিক মোটরসাইকেল কমিউনিটি বিডি বাইকার্স ক্লাবের (এডমিন) রবি কিরণ বলেন, রাইড শেয়ারিং আওতাভুক্ত মোটরসাইকেলগুলো অ্যাপ ছাড়া চলছে। চালকরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে যাত্রীদের ডাকছেন। এতে যাত্রীরাও বিভ্রান্ত হন। অনেক সময় যাত্রীরা যেকোনো মোটরসাইকেল দেখলেই মনে করেন- এটা বুঝি পাঠাও বা উবার। তারা ডাক দেন, রাইড শেয়ারিং আওতাভুক্ত মোটরসাইকেল চালকদের যদি নির্ধারিত পোশাক থাকত, তাহলে এসব ঘটনা সহজে এড়ানো যেত।
এদিকে ‘সহজ’ ডটকমের কল সেন্টারের কর্মী ফারজানা বলেন, আমাদের অ্যাপ ব্যবহার করে যারা রাইড শেয়ার করছেন, তারা তো অফিসে যাওয়ার পথে বা নির্ধারিত গন্তব্যে যাওয়ার পথে কাউকে নিচ্ছেন। এক্ষেত্রে চালকদের জন্য নির্ধারিত ড্রেস কোড করার পরিকল্পনা আমাদের নেই। অ্যাপের বাইরে যারা যাত্রী পরিবহন করেন, তারা নিজ পরিবহন দিয়ে করেন, সেক্ষেত্রে আমাদের কিছু বলার নেই।
ডিএমপির ধানমন্ডি জোনের (ট্রাফিক) সিনিয়র সহকারি কমিশনার মো. আকরাম হোসেন বলেন, পাঠাও-উবার মোটরসাইকেল চালকদের নির্ধারিত পোশাক আসলেই দরকার। তাদেরকে পর্যবেক্ষণে আমাদের সুবিধা হবে, নৈরাজ্যজনক কিছু হওয়ার আশঙ্কা কমে যাবে। বিআরটিএর সঙ্গে নিয়মিত বৈঠকে এটি উপস্থাপনের বিষয়ে আমরা ভাবছি। সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]