• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » উত্তরাঞ্চলের সেচ সংকট মোকাবেলায় তিন বছরে ভারত থেকে দেড় লাখ টন জ¦ালানি তেল আমদানি, দ্রুত গতিতে চলছে পাইপলাইন নির্মাণের কাজ


উত্তরাঞ্চলের সেচ সংকট মোকাবেলায় তিন বছরে ভারত থেকে দেড় লাখ টন জ¦ালানি তেল আমদানি, দ্রুত গতিতে চলছে পাইপলাইন নির্মাণের কাজ

আমাদের নতুন সময় : 06/12/2019

 

শাহীন চৌধুরী : খবর জ¦ালানি বিভাগ সূত্রের। সূত্রমতে, ২০১৭ সালে ভারত থেকে জ¦ালানি তেল আমদানি করা হয়েছে ২৭ হাজার ৪৬৮ মেট্রিক টন। একই ভাবে ২০১৮ সালে ৭৯ হাজার ৭৬৬ মেট্রিক টন এবং চলতি বছর ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত আমদানি করা হয়েছে ৩৩ হাজার ৬২৯ মেট্রিক টন। আমদানিকৃত এই জ¦ালানি তেলের মূল্য প্রায় ৯৬ লাখ টাকা।
এ প্রসঙ্গে বিপিসি’র পরিচালক (অপারেশন) সারোয়ার আলম এ প্রতিবেদককে বলেন, ভারত থেকে জ¦ালানি তেল আমদানির বিষয়টি সাময়িক। পাইপলাইন নির্মাণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ ব্যবস্থা চলতে থাকবে। ভারত বাংলাদেশ পাইপলাইনের মধ্যে ছয় কিলোমিটার ভারতীয় অংশে অর্থায়ন করবে আসাম নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড (এনআরএল)। অবশিষ্ট ১৩০ কিলোমিটার তেল পাইপলাইন বাংলাদেশে থাকবে এবং এটাও ভারতের চলমান উন্নয়ন সহযোগিতা কর্মসূচির মাধ্যমে অর্থায়ন করা হবে।
সূত্র জানায়, ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইন নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যেই জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) জমি অধিগ্রহণ ছাড়াও প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কিত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পরামর্শদাতা নিয়োগের কাজ শেষ করেছে।
১৩৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ইন্দো-বাংলা পাইপলাইন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের শিলিগুড়ি থেকে বাংলাদেশের পার্বতীপুর তেল ডিপো পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। ২০২০ সালের মধ্যে পাইপলাইন নির্মাণের কাজ শেষ হবে।
প্রসঙ্গত, এই প্রকল্পের জন্য ২০১৫ সালের অক্টোবরে বিপিসি ও এনআরএল ১৫ বছরের জন্য চুক্তি করেছে। পাইপলাইনের বার্ষিক পরিবহন ক্ষমতা ১০ লাখ টন। তবে ১৫ বছরের চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম তিন বছরে আড়াই লাখ টন, পরবর্তী তিন বছরের জন্য তিন লাখ টন, সপ্তম থেকে দশম বছরে সাড়ে তিন লাখ টন, এবং ১১তম বছর থেকে চার লাখ টন ডিজেল আমদানি করা হবে।
চূড়ান্ত পর্যায়ে এই পাইপলাইনে ভারত বাংলাদেশে প্রতি বছর ১০ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহ করবে। সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]