পাকিস্তানে ৯ বছরে মূল্যস্ফীতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে

আমাদের নতুন সময় : 06/12/2019

 

সাইফুর রহমান : পাকিস্তানের পরিসংখ্যান ব্যুরোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে এবছর মূল্যস্ফীতির হার ১২.৭ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে যা গত ৯ বছরের তুলনায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, মূল্যসূচক অনুযায়ী গত এক মাসেই মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ১.৩ শতাংশ। এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী দাবি করেন, আগামি এক মাসের মধ্যেই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে। তবে তা ঠিক কোন পথে আসবে এনিয়ে বিস্তারিত কিছু জানান নি তিনি। বুধবার প্রকাশিত পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিবেদনে দেখা যায়, কেবলমাত্র নভেম্বর মাসেই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি দেশটির মুদ্রাস্ফীতি গত ৯ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে গেছে। প্রতিবেদনে দেখা যায়, শহরাঞ্চলের তুলনায় গ্রামাঞ্চলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বেশি।
নভেম্বরে দেশটির শহরাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি ১৬.৬ শতাংশ থেকে ২.৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ শতাংশে কিন্তু গ্রামাঞ্চলে তা ১৯.৩ শতাংশ থেকে ৩.৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২.৭ শতাংশে। এছাড়া খাদ্যপণ্য ছাড়াও অন্যান্য নিত্য ব্যবহার্য পণ্যে শহরাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৬ শতাংশ আর গ্রামাঞ্চলে তা ছিল ৯ শতাংশ। খাদ্য দ্রব্য ছাড়া অন্যান্য পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির পেছনে জ্বালানি তেলে মূল্য বৃদ্ধিকেই দায়ী করছেন বিশ্লেষকরা।
অর্থনীতিবিদ আশফাক হাসান খান মনে করেন, সুদের চড়া হার এবং জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে ডিসেম্বর নাগাদ এই মূল্যস্ফীতির হার ১৩ শতাংশে গিয়ে পোঁছার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়াও অস্থিতিশীল মুদ্রার দরের কারণে আমদানিকৃত পণ্য এবং বিভিন্ন ধরণের কাঁচামালও ভোক্তাদের হাতে তুলে দিতে হচ্ছে বেশি দামে। এছাড়া কোম্পানি গুলোর জন্য সুদের হার বাড়িয়ে দেয়াও মূল্যস্ফীতির অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন এই অর্থনীতিবিদ। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার না বাড়ালেও দেশটির অন্যান্য ব্যাংক তা মেনে চলছে না বলেও দাবি করেন তিনি। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : info@amadernotunshomoy.com