• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » মেগাপ্রকল্প নির্মাণের কারণে বেড়েছে স্ক্র্যাপ আমদানি, দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের জন্য কমেছে রডের দাম


মেগাপ্রকল্প নির্মাণের কারণে বেড়েছে স্ক্র্যাপ আমদানি, দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের জন্য কমেছে রডের দাম

আমাদের নতুন সময় : 06/12/2019

সৈয়দ জহিরুল আবেদীন : বিপরীতমুখী এমন তথ্য জানালেন বাংলাদেশ স্টীল মানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশনের (বিএসএমএ) মহাসচিব মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ। মেগা অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে হঠাৎ করেই স্ক্র্যাপ (লোহা) আমদানির পরিমাণ বেড়ে গিয়েছিল। চলতি বছরের প্রথম দশ মাসে স্ক্র্যাপ আমদানির পরিমাণ গত বছরের এই সময়ের তুলনায় বেড়েছিল ৪০ শতাংশ।
স্ক্র্যাপ আমদানী বাড়লেও সাম্প্রতিক সময়ে হঠাৎ করেই কমেছে এমএস রডের দাম। টন প্রতি দাম কমে গেছে দশ হাজার টাকা। সরকারের সাম্প্রতিক দূর্নীতি বিরোধী অভিযানের উল্লেখ করে মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ বলেন, এই অভিযান শুরু হওয়ার পর নির্মাণ সেক্টরে মন্থর গতি দেখা দিয়েছে। পূর্বে যে এমএস রডের গ্রেডভেদে দাম ছিল ৬৫,০০০-৬৮,০০০ টাকা টন, তা এখন নেমে টনপ্রতি ৫৫,০০০-৫৮,০০০ টাকা হয়েছে।
স্ক্র্যাপ (লৌহ) আমদানি বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করে বিএসএমএ মহাসচিব ‘দৈনিক আমাদের নতুন সময়’কে বলেন, বিগত দশ বছর যাবত দেশে অবকাঠামো উন্নয়ন কর্মকা- ব্যাপক বেড়েছে। পদ্মা সেতুর মতো মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর ফলে, প্রতিবছর এই সেক্টরে প্রবৃদ্ধি ৮ থেকে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তিনি বলেন, “সরকার এখন এই সেক্টরে উৎপাদিত পণ্যের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। এই সেক্টরে উৎপাদিত পণ্যের প্রায় ৪০ শতাংশ সরকারের বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পে ব্যাবহার হচ্ছে।“
দেশের ৩৬টি স্টীল পণ্য উৎপাদনকারী কোম্পানীর প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন বিএসএমএ’র মহাসচিব বলেন, দেশে গৃহস্থালী উৎস থেকে চাহিদার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ভাঙ্গা বা টুকরো লোহা পাওয়া যায়। বাকী ৮০ শতাংশ আমদানী করা হয়। আমদানীকারকরা মূলতঃ জাহাজের কন্টেইনারে করে ‘মেল্টিং স্ক্র্যাপ’ (ভাঙ্গা বা টুকরো লোহা) আমদানী করে থাকে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকায় স্ক্র্যাপ লোহার আমদানী বেড়েছে। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]