• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » সাইবেরিয়ায় নেকড়ে ও কুকুরের মাঝামাঝি ফসিল আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের ধারণা প্রাণীটি এ দুই প্রজাতির বিবর্তনের যোগসূত্র


সাইবেরিয়ায় নেকড়ে ও কুকুরের মাঝামাঝি ফসিল আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের ধারণা প্রাণীটি এ দুই প্রজাতির বিবর্তনের যোগসূত্র

আমাদের নতুন সময় : 06/12/2019

হাসনাত কুশল : বরফরাজ্য সাইবেরিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ১৮ হাজার বছর পুরনো একটি প্রাণীর মৃতদেহ পাওয়ার পর বিজ্ঞানী ও গবেষকরা দ্বিধান্বিত। কুকুর এবং নেকড়ে উভয় প্রাণীর মতো দেখতে এ প্রাণীটির মৃত্যুর সময় বয়স হয়েছিলো মাত্র দুই মাস। ঠিক এ বিষয়টিই তাদের দ্বিধার মধ্যে ফেলে দেয় যে প্রাণীটি ঠিক কোন প্রজাতি নেকড়ে না কুকুর ? বিবিসি
প্রাণীটিকে উত্তর এশিয়ায় অবস্থিত সাইবেরিয়ার ভূগর্ভস্থ হিমায়িত অঞ্চলে সংরক্ষিত অবস্থায় পাওয়া যায়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, ওই প্রাণীটির পশম, নাক ও কান সবই অক্ষত অবস্থায় রয়েছে। তবে ডিএনএ পরীক্ষা করেও প্রাণীটির প্রজাতি নির্ধারিত হয়নি। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, হতে পারে এ প্রাণীটি নেকড়ে ও কুকুরের মধ্যবর্তী সময়ের বিবর্তনের যোগসূত্র। এসময় রেডিওকার্বন ডেটিং ব্যবহার করে প্রাণীটির মৃত্যুর সময় এবং হিমায়িত হওয়ার সময়কাল বের করা হয় বলে জানায় মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। এসময় প্রাণীটির জিনোম পরীক্ষা করে দেখা যায়, প্রাণীটি পুরুষ শ্রেণিভুক্ত। সুইডেনের সেন্টার ফর প্যালায়েজেনেটিকসের গবেষক ডেভ স্ট্যান্টন জানান, প্রাণীটির ডিএনএ বিশ্লেষণ করে প্রজাতি পাওয়া যায়নি। তবে এর অর্থ এটা হতে পারে যে প্রাণীটি এমন একটি প্রজাতির অংশ ছিলো যার থেকে নেকড়ে ও কুকুরের উদ্ভব হয়েছে। তবে আরেক গবেষক টুইটারে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন, প্রাণীটি কি একটি নেকড়ে ছানা নাকি পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন কুকুর? তবে বিজ্ঞানীরা ডিএনএ শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে বলে জানায়। এর মধ্য দিয়ে তারা আশা করছেন, অচিরেই তারা কুকুরের বিবর্তন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে পারবেন। তবে প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী বর্তমান কুকুর এসেছে নেকড়ে থেকে। তবে ঠিক কখন থেকে গৃহে কুকুর পালন শুরু হয়েছে সেবিষয়ে যথেষ্ট বিতর্ক রয়েছে। ২০১৭ সালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয় কুকুর গৃহপালিত পশু হিসেবে সমাদৃত হয়েছে ২০-৪০ হাজার বছর আগে থেকে। সম্পাদনা : আসিফুজ্জামান পৃথিল




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]