অবলা পুরুষ!

আমাদের নতুন সময় : 07/12/2019

আকতার বানু আলপনা

পুরুষের বহুগামিতা বা পরকীয়ার প্রসঙ্গ এলেই কিছু পুরুষ বলার চেষ্টা করেন যে, নারীরাও বহুগামী। তারাও পরকীয়া কিছু কম করেন না। কিন্তু বহুগামিতার বিষয়ে নারী এবং পুরুষের মধ্যে একটি বেসিক পার্থক্য আছে, যা আমরা অনেকেই খেয়াল করি না। সেটি হলো মানসিক সম্পর্ক বা ভালোবাসার সম্পর্ক না থাকলে কোনো নারীই ক্রমাগত একের পর এক পুরুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে না। এমনকি, পতিতারাও স্বেচ্ছায় ওই পেশায় যায় না বা থাকে না। তারা নিতান্তই বাধ্য হয়ে বহুগামিতায় লিপ্ত হয়। গোটা পৃথিবীজুড়ে একজন পতিতাও খুঁজে পাওয়া যাবে না যে স্বেচ্ছায় ওই পেশায় গিয়েছে। কিন্তু অসংখ্য পুরুষ পাওয়া যাবে যারা একাধিক নারীতে আসক্ত। এ জন্যই পতিতাবৃত্তি পৃথিবীর সবচেয়ে আদি পেশা যা এখনো টিকে আছে এবং পৃথিবী ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত থাকবে। পাগলী, বৃদ্ধা, শিশু (কন্যা শিশু এবং পুরুষ শিশু), এমনকি গরু-ছাগল-দুম্বা পর্যন্ত পুরুষের নির্যাতন থেকে রক্ষা পায় না। অথচ বলা হয় নারীরাই নাকি বেশি বহুগামী। আজব! স্বামী না থাকলে, দূরে থাকলে, স্বামীর যৌন সমস্যা থাকলে বা স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো না থাকলেই কেবল কোনো স্ত্রী অন্য কোনো পুরুষের সঙ্গে মানসিক বা শারীরিক সম্পর্কে জড়ায়। কিন্তু অনেক পুরুষরা ঘরে সুন্দরী বৌ থাকা, বৌয়ের কোন শারীরিক সমস্যা না থাকা বা বৌয়ের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকা সত্তে¡ও সুযোগ পেলেই তারা অন্য নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়ায়। ভালোবাসা ছাড়াও শুধু শারীরিক কারণে পুরুষরা পরনারীর কাছে যায়, ধর্ষণ করে বা পতিতালয়ে যায়। কোনো নারী এমনটা করে না। রাস্তায় কোনো মেয়েকে একা পেলে বা ভিড়ের মধ্যে সুযোগ পেলেই অনেক পুরুষ মেয়েদের ছোঁয়ার চেষ্টা করে বা ছোঁয়। কিন্তু কোনো মেয়ে কখনো সেটা করে না। তারপরও প্রতিনিয়তই শুনি, নারীরাই নাকি খারাপ। তারা নাকি পুরুষদের নির্যাতন করে করে শেষ করে দিচ্ছে। ‘নির্যাতন’ আসলে কাকে বলে, মাঝে মাঝে সেটাই বুঝতে পারি না। পুরুষ এতো ‘অবলা’ হলে নারীকে কেন ‘অবলা’ বলা হয়? আজব তো! ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]