কক্সবাজারে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে মাছ, খুশি জেলেরা

আমাদের নতুন সময় : 07/12/2019

আমান উল্লাহ : বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে নানা প্রজাতের সামুদ্রিক মাছ। দারুণ উচ্ছ্বসিত হয়ে আহরণের পর এসব মাছ নিয়ে বিক্রির জন্য কক্সবাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের জেটিঘাটে ফিরছেন জেলেরা।
সাগরে শিকার শেষে ট্রলার ভর্তি মাছ নিয়ে কক্সবাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ঘাটে ভিড়ে এফবি কোহিনুর। সেই ট্রলার থেকে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের পন্টুনে বিক্রির জন্য ঝুঁড়িতে রাখা হচ্ছিল ইলিশ। যা দেখে মুখে হাসি ওই ট্রলারের মাঝি আইয়ুব আলীর।
আইয়ুব আলী বলেন, ১০ দিনের জন্য সাগরে মাছ শিকারে গিয়েছি। কিন্তু পাঁচ দিনের মধ্যে মাছে ট্রলার ভরে যাওয়ায় তা বিক্রির জন্য ফিশারি ঘাটে ফিরে এসেছি। এ বছর ১০ মেট্রিক টনের বেশি ইলিশ মাছ পেয়েছি; যা ১০০টি ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা দরে বিক্রি করছি। এখন খুব ভালো লাগছে যেন সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে ৬৫ দিন, পরে ২২ দিন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সাগরে মাছ শিকারে যেতে না পারার কষ্ট ভুলে গেছি।
সরেজমিন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, সাগরে মাছ শিকার শেষে কক্সবাজার উপকূলে ফিরছেন জেলেরা। আর ট্রলার থেকে মৎস্য অবতরণ ঘাটে মাছ নামাতে ব্যস্ত জেলে ও শ্রমিকরা।
মৎস্য ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম বলেন, এখন মাছের দাম অনেক কম। কারণ সাগরে প্রচুর মাছ ধরা পড়ায় সব মাছের দাম নিম্নমুখী। এছাড়া কক্সবাজারে বিভিন্ন মাছের প্রজেক্ট রয়েছে; এসব প্রজেক্ট থেকেও চিংড়ি, বাটা ও টেংরা মাছ বাজারে সরবরাহ বেড়েছে। ফলে মাছের দাম সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।
আরেক মৎস্য ব্যবসায়ী আখতার হোসেন বলেন, গত সপ্তাহে সামুদ্রিক মাছের দাম যা ছিল; এখন তাই রয়েছে। কক্সবাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের মার্কেটিং অফিসার দেলোয়ার হোসেন জানান, ৬৫ দিন সাগরে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার কারণে গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর মাছ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর কক্সবাজার থেকে ৭৫ মেট্রিক টন সামুদ্রিক মাছ রপ্তানি করা হলেও এ বছর এখনো পর্যন্ত তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৫ মেট্রিক টনে। সম্পাদনা : মুরাদ হাসান, ওমর ফারুক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]