• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান খানের দাফন সম্পন্ন, অভিনেতা সোহেল রানা জানান, মাহফুজ ক্যামেরার সামনে এলেও বাজিমাৎ করতেন


চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান খানের দাফন সম্পন্ন, অভিনেতা সোহেল রানা জানান, মাহফুজ ক্যামেরার সামনে এলেও বাজিমাৎ করতেন

আমাদের নতুন সময় : 07/12/2019

দেবদুলাল মুন্না: জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান খান বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার মৃত্যুতে গতকাল শোকপ্রকাশ করেছেন। মাহফুজুর রহমানের বয়স হয়েছিলো ৭০ বছর। গত ২৫ নভেম্বর রাতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের লোকজন তাকে প্রথমে রাজধানীর গ্রিন লাইফ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিলো। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে ইউনাইটেড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চলচ্চিত্রে চিত্রগ্রহণের জন্য ৯ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। গতকাল পুরান ঢাকার চকবাজারে শাহী মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে এফডিসিতে তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হলে তার দীঘদিনের সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। এরপর আজিমপুর গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র গ্রাহক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মজনু।
রাজনীতিবিদ ও সোহেল রানা বলেন, ‘ মাহফুজ ভাই মানুষ হিসেবে ছিলেন ভীষণ ভালো মনের। আমরা একসাথে কাজ করেছি। যতোটুকু জানি তার স্ত্রীর মৃত্যুও পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। তাকে আমি বলতাম, ক্যামেরার পেছন থেকে ক্যামেরার সামনে এলেও বাজিমাত করবেন। খুব সুদর্শন ছিলেন।’ মাহফুজুর রহমান খানের স্ত্রী ড. নিরাফাত আলম শিপ্রা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ২০০১ সালের ২৭ আগস্ট মারা যান। দাম্পত্য জীবনে তাঁরা নি:সন্তান ছিলেন। তাঁর বাসা চকবাজারের হাকিম হাবিবুর রহমান খান সড়কে। ছয় ভাই ও তিন বোনের মধ্যে মাহফুজুর রহমান খান ছিলেন সবার বড়। মাহফুজুর রহমান ১৯৪৯ সালে ঢাকার লালবাগে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মরহুম হাকিম ইরতিজা-উর-রহমান খান। তার পৈতৃক বাড়ি লালবাগের চকবাজারের হাকিম হাবিবুর রহমান খান সড়কে। এই সড়কের নাম তার দাদা হাকিম হাবিবুর রহমান খানের নামানুসারে করা হয়। প্রখ্যাত চিত্র পরিচালক এহতেশাম ও মুস্তাফিজ ছিলেন ফুফাতো ভাই। মাহফুজুর রহমান খান প্রখ্যাত চিত্রগ্রাহক আবদুল লতিফ বাচ্চুর অধীনে সহকারী চিত্রগ্রাহক হিসেবে ১৯৭০ সালে ‘দর্প চূর্ণ’ ও ১৯৭১ সালে ‘স্বরলিপি’ চলচ্চিত্রে কাজ করেন। প্রধান চিত্রগ্রাহক হিসেবে তাঁর প্রথম কাজ আবুল বাশার চুন্নু পরিচালিত ‘কাচের স্বর্গ’। তিনি জল্লাদের দরবার, আমার জন্মভূমি, আলোছায়া, চলো ঘর বাঁধি, দাবি , পোকামাকড়ের ঘরবসতি, শ্রাবণ মেঘের দিন, দুই দুয়ারী , আমার আছে জল, ঘেটুপুত্র কমলাসহ অসংখ্য চলচ্চিত্রে কাজ করেন। রাজ্জাক পরিচালিত অভিযান চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক বিভাগে মাহফুজুর রহমান খান প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। সম্পাদনা : খালিদ আহমেদ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]