• প্রচ্ছদ » সর্বশেষ » বিদেশি পেঁয়াজের ঝাঁজ নেই, দেশী পেঁয়াজ ক্রয় ক্ষমতার বাইরে, পেঁয়াজ পাতা এখন ভরসা


বিদেশি পেঁয়াজের ঝাঁজ নেই, দেশী পেঁয়াজ ক্রয় ক্ষমতার বাইরে, পেঁয়াজ পাতা এখন ভরসা

আমাদের নতুন সময় : 07/12/2019


লাইজুল ইসলাম : গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর চারটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পেঁয়াজ না কিনে পেঁয়াজ পাতা কিনছেন ক্রেতারা। প্রশ্ন করতেই এক ব্যাংকার কিছুটা হতাশ কণ্ঠে বললেন, দেশি পেঁয়াজ কি আমাদের সামর্থের মধ্যে আছে? তাই পেঁয়াজ পাতাই কিনছি। পাতার সঙ্গে পেঁয়াজও পাওয়া যাচ্ছে। যদিও পরিপক্ক নয়। বলতে পারেন দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানো আরকি! মগবাজার কাঁচা বাজার থেকে পলাশি, নিউমার্কেট ও কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা গেলো, পেঁয়াজের কলি খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৮০ টাকায়। তবে কারওয়ান বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়। কারওয়ান বাজারের বিক্রেতা সামসু হোসেন বলেন, ক্রেতাদের কাছে পেঁয়াজের চেয়ে পেঁয়াজ পাতার কদরই এখন বেশি। কারণ পেঁয়াজ পাতার সঙ্গে মিলছে পেঁয়াজও। আর দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় ক্রেতারা বিকল্প হিসেবে পেঁয়াজ পাতাকেই বেছে নিচ্ছেন। এসময় বেসরকারি চাকরিজীবী মোসাদ্দেক বলেন, পেঁয়াজ তো লাগবেই। পরিপক্ক পেঁয়াজের স¦াদ ভালো। কিন্তু যে দাম, তাতে কেনা সম্ভব না। তাই পেঁয়াজের কালির উপরই আমার ভরসা। গৃহিনী সালেহা বলেন, কারওয়ান বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ীরা তিন কেজির কমে পেঁয়াজ বিক্রি করতে চাইছেন না। এত দাম দিয়ে এত বেশি পেঁয়াজ কেনা সম্ভব না। আবার খুচরা বাজারেও কেজি প্রতি ২০ টাকা বেশি দাম রাখে। সব দিকেই সমস্যা চলছে।
কারওয়ান বাজারের পেঁয়াজের পাইকারি বাজারে গিয়ে দেখা যায় এখনো দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ২২০ থেকে ২৩০ টাকা। তবে কমেছে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম। মিয়ানমারের পেঁয়াজের দাম আগের মতই ১৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মিশরের ও চায়না পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকায়। পাকিস্তানি পেয়াজের দাম ১০০ টাকা বা তারও কম। পাইকাররা বলছেন, দেশি পেঁয়াজের দাম কমতে সময় লাগবে। বাজারে প্রচুর বিদেশী পেঁয়াজ আছে। তবে চাহিদা কম। সম্পাদনা: মাসুদ কামাল।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]