• প্রচ্ছদ » » বিশ্ব পুঁজিতন্ত্রের আড়ালে ভারতীয় জনগণ দুটো আফিম গিলেছে , প্রথমটি ধর্ম অন্যটি ভোটতন্ত্র


বিশ্ব পুঁজিতন্ত্রের আড়ালে ভারতীয় জনগণ দুটো আফিম গিলেছে , প্রথমটি ধর্ম অন্যটি ভোটতন্ত্র

আমাদের নতুন সময় : 07/12/2019

রুহুল আমিন

এবারের ভারত ভ্রমণের অভিজ্ঞতা : বৃটিশদের ভারত ত্যাগ করার সময়টাতে পৃথিবীজুড়ে জাতীয়তাবাদী চেতনার যে উত্তেজনা বিশ্বজুড়ে বিরাজমান ছিলো তার অর্থনৈতিক অনুবাদ ছিলো সমাজতান্ত্রিক বা সাম্যবাদী অর্থনীতি। ভারত অনেকদিন পর্যন্ত জাতীয়তাবাদী অর্থনীতিকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছিলো কিন্ত সাম্যবাদী অর্থনীতিকে দূরে রেখেছিলো সচেতনভাবে। ফলে ইন্ডিয়াতে টাটা-বিড়লার বিকাশ ঘটেছে বটে, কিন্তু সাধারণ মানুষ সেই তিমিরেই রয়ে গেছে। রাজনৈতিক নেতৃত্বের ওপর জনগণের চাপ ও হতাশা দুটোই বাড়ছিলো। তাই টাটা বিড়লারা বুঝতে পারছিলো যে এখন জাতীয়তাবাদের শক্তি শেষ, তাই ধর্মের বর্ম ছাড়া তাদের এই সম্রাজ্য টেকানো মুশকীল হয়ে পড়বে। এতে করে দুটো সফলতা লাভ করেছে ভারতীয় পুঁজিবাদ। প্রথমটি হলো তারা তাদের পুঁজির বহির্গমনের পথ নিরাপদ করতে পেরেছে, আবার বিশ্বপুঁজির সঙ্গে নিজস্ব পুঁজির সংমিশ্রণ ঘটাতে সক্ষম হয়। পুনের একটি সুপার স্টোর কাপড়ের চারভাগের একভাগ মাত্র ভারতীয় কাপড় , বাকিগুলো চায় না এবং বাংলাদেশের তৈরি। এরপরও ভারতের ভোট ব্যবস্থার প্রতি জনগণের অনেক প্রত্যাশা, প্রায় সবাই বিশ্বাস করে ভোটের মাধ্যমে আগামীতে জনগণ তাদের প্রত্যাশার সরকার গড়তে পারবে। এই বিষয়টা আমার খুব স্পষ্ট মনে হয়েছে ভারতের সাধারণ জনগণের মধ্যে। যদিও প্রতিটি নির্বাচনের পরে তারা হতাশ হবে। আবার পুনরায় নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করবে। বিশ্ব পুঁজিতন্ত্রের আড়ালে ভারতীয় জনগণ দুটো আফিম গিলেছে, একটি হলো ধর্ম আরেকটি হলো ভোটতন্ত্র। বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যে একটি পার্থক্য খুব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে রাজনীতি বিষয়ে। আমাদের জনগণ রাজনীতি নিয়ে খুব কমকথা বলে কিন্ত ওরা বলে প্রচুর। যেমন মানুষের হাতে কাজ নেই , মোদীর দোষ। বাংলাদেশের সুবিধা হলো তারা কাউকে দোষারোপ করার দরকার হয় না। কিন্তু ভারতে কেন্দ্র ও প্রাদেশিক সরকারের মধ্য একটা বল ছোড়াছুড়ির বৈশিষ্ট খুব স্পষ্ট। এই পিলু পাসিং খেলাটা ভারতীয় জনগণ খুব বুঝে বলে মনে হলো। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]