সহিংসতায় রুপ নিয়েছে সর্বাত্মক ফ্রান্সের ধর্মঘট, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ

আমাদের নতুন সময় : 07/12/2019

Two protestors stand next to a fire and in tear gas during a demonstration to protest against the pension overhauls, in Paris, on December 5, 2019 as part of a national general strike. – Trains cancelled, schools closed: France scrambled to make contingency plans on for a huge strike against pension overhauls that poses one of the biggest challenges yet to French President’s sweeping reform drive. (Photo by Alain JOCARD / AFP) (Photo by ALAIN JOCARD/AFP via Getty Images)

আসিফুজ্জামান পৃথিল : প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রোর বিতর্কিত পেনসন নীতির বিরুদ্ধে ধর্মঘট চালিয়ে যাবার ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসী শ্রমিক ইউনিয়ন নেতারা। ফলে দেশজুড়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পরেছে সাধারণ মানুষ। দেশটির রেল পরিচালক কোম্পানি এসএনসিএফ জানিয়েছে ফ্রান্সের হাইস্পিড ট্রেন টিজিভির ৯০ শতাংশ সার্ভিস বাতিল হয়ে গেছে। বাতিল হয়েছে এয়ার ফ্রান্স, ইজি জেট এবং রেইনোর এর অধিকাংশ ফ্লাইটই। এএফপি
রাজধানী প্যারিসের ১৬টি মেট্রো লাইনের মধ্যে ৯টিই বন্ধ। বৃহত্তম প্যারিস অঞ্চলে তৈরী হয়েছে ৩৫০ কিলোমিটার লম্বা জ্যাম। শহরটিতে মোট ২০০ কিলোমিটার ট্র্যাফিক জ্যামকে স্বাভাবিক বিবেচনা করা হয়। হাজারো অফিস গমনেচ্ছু নিজ প্রতিষ্ঠানে যেতে পারেননি শুধু গণপরিবহনের অভাবে। সব মিলিয়ে শুক্রবার ৮ লাখের বেশি মানুষ এই ধর্মঘটের পক্ষে প্যারিসে মিছিল বের করেন। বৃহস্পতিবার রাতেই সহিংস হয়ে উঠেন ধর্মঘটিরা। এদিন রাতে কয়েকটি স্থানে পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়ান শ্রমিকরা। বেশ কয়েকটি গাড়িও জ¦ালিয়ে দেয়া হয়। জবাবে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার থেকেই ইউরোপের দেশটিতে চলেনি অধিকাংশ গণপরিবহন, ক্লাস হয়নি স্কুল কলেজে। জোর করে অবসর নেয়ানোয় এবং পরবর্তীতে পেনসন কমিয়ে দেয়ায় শ্রমিকরা এই ধর্মঘটের ডাক দেন। পরে এতে যোগ দেন পুলিশ, আইনজীবি, চিকিৎসক, বিমানকর্মী এবং শিক্ষার্থীরাও। কয়েক মিলিয়ন মানুষ অংশ নিয়েছেন এই ধর্মঘটে।
ফ্রান্সের ইতিহাসের বৃহত্তম দেশব্যাপী ধর্মঘটের ঘোষণা দেয় শ্রমিক ইউনিয়নগুলো। তারা প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রোর পয়েন্টভিত্তিক পেনসন ব্যবস্থা নিয়ে অসন্তুষ্ট। ইউনিয়ন নেতা ক্রিশ্চিয়ান গ্রোয়েলিয়ের বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতিকে নিচে নামিয়ে আনা ছাড়ার আর কোনও উপায় নেই। মানুষ লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত।’ দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফি ক্রাস্টনার জানিয়েছেন, পুরো দেশব্যাপী প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে বৃহস্পতিবার। কয়েকটিকে সহিংস বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি এএফপিকে বলেন, ‘আমরা জানি, প্রচুর মানুষ এই বিক্ষোভগুলোতে অংশ নিচ্ছে, এর ঝুঁকিও আমরা জারি। আমরা পুলিশকে জানিয়েছি, কেউ দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাকে যেনো সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয়।’ সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]