• প্রচ্ছদ » » এই শহরে ছিলো না তেমন ধুলাবালি, তাহলে এখন কেন


এই শহরে ছিলো না তেমন ধুলাবালি, তাহলে এখন কেন

আমাদের নতুন সময় : 08/12/2019

মির্জা ইয়াহিয়া

গত কয়েকদিনে ঢাকার বিষয়ে দেশি-বিদেশি কিছু জরিপ প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে বাসযোগ্যতার বিচারে ঢাকা নিকৃষ্ট পর্যায়ে আছে। আবার বায়ু দূষণের দিক দিয়ে ঢাকা এক নম্বর। ঢাকার ৭১ শতাংশ নাগরিক বিষণœতায় ভুগছে। এসব খবর দেখে আমার পুরনো দিনের কথা মনে পড়ে। শৈশবের, তারুণ্যের ঢাকার কথা মনে পড়ে। সত্তর-আশির দশকের সেই ঢাকা শহর। তখনো যানজট প্রকট আকার ধারণ করেনি। এই শহরে ছিলো না তেমন ধুলাবালি। তবে তখনো ঢাকার বড় বড় রাস্তায় খোঁড়াখুঁড়ি লেগে থাকতো। তারপরও এখনকার মতো এতো ধুলা ছিলো না। রাস্তাঘাটে মানুষের মুখে মুখে মুখোশ দেখা যেতো না তখন। মাস্ক বা মুখোশের প্রচলন দেখা যাচ্ছে নব্বইয়ের দশকের শেষদিক থেকে। এখন তো চলার পথে নানা রকম মাস্ক বিক্রেতা চোখে পড়ে।
এবার ঢাকা শহরে ধুলা সম্ভবত অনেক বেশি। নভেম্বরের শেষদিক থেকে পরিস্থিতি খারাপ মনে হচ্ছে। অনেকেই বলছেন, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বাস র‌্যাপিড ট্রানজিটসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের জন্য খোঁড়াখুঁড়ি বেড়ে যাওয়ায় ধুলা বেড়েছে। এই কথা অনেকাংশেই সত্য। কিন্তু আমার মনে হয় উন্নয়নের আশপাশের জায়গা ঠিক রেখে, দরকারমতো পানি ছিটিয়ে ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। আবার রাজধানীর ভাঙাচোরা রাস্তা মেরামত করা হলে ধুলা কমে আসবে। এছাড়া যেসব জায়গায় মাটি বহনকারী ট্রাক বেশি চলে সেখানে ধুলা দেখা যায়। মাটি যাতে রাস্তায় না পড়ে সেদিকে নজর রাখতে হবে। সার্বিকভাবে ঢাকার সব রাস্তা নিয়মিত ঝাড়ু দিতে হবে। যেখানে ধুলা বেশি সেখানে নিয়মিত পানি ছিটাতে হবে। সচেতন হতে হবে নাগরিকদেরও। যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলা যাবে না। বাড়ির নির্মাণ সামগ্রী যত্রতত্র ফেলে রাখা চলবে না। রাস্তায় বের হলে যতোটা সম্ভব মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। কারণ ধুলাবালিজনিত রোগ থেকে রক্ষায় এর কোনো বিকল্প নেই। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]