• প্রচ্ছদ » » দুটি টিউশনি করতো রুম্পা আত্মনির্ভরশীল মেয়েটিকে কারা মারলো?


দুটি টিউশনি করতো রুম্পা আত্মনির্ভরশীল মেয়েটিকে কারা মারলো?

আমাদের নতুন সময় : 08/12/2019

সাবিনা শারমিন

ছাদ থেকে ফেলে দেয়া রুম্পা শারমিন সেদিন সন্ধ্যায় দুটি টিউশনি করে বাসায় ফিরেছিলো। এরপর কাজ আছে বলে তার নিজের মোবাইল ফোন আর নতুন স্যান্ডেল বদলে পুরনো স্যান্ডেল নিয়ে কোথায় গেলেন, কেন গেলেন, কার সঙ্গে দেখা করতে গেলেন, এটি কল লিস্ট দিয়ে বের করা সম্ভব। নিশ্চয়ই সে যেখানে গিয়েছিলো, তা আগে থেকে ঠিক করা ছিলো না। তাহলে হুট করে জরুরি ভিত্তিতে সে যেতো না। এখানে এই মেয়েটির হত্যার সঙ্গে অবশ্যই একটি ফোনকল জড়িত। মেয়েটিকে বø্যাকমেইল করা হয়নি তো? মেয়েটির মোবাইল ফোনে কী কারও গোপন কিছু ছিলো যা সে সঙ্গে করে নিয়ে যায়নি বা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলো? হয়তো মোবাইল ফোনটি সঙ্গে করে নিয়ে গেলে সেটি কেড়ে নেয়া হতো? যার দরুন মেয়েটির এই করুণ অবস্থা হলো? আত্মনির্ভরশীল খেটে উপার্জন করা এই মেয়েটিকে কারা এভাবে মেরে ফেললো? ২. ধর্ষক খতম করলেই কি ধর্ষণ খতম হবে? হায়দ্রাবাদের পুলিশের এনকাউন্টারে চার ধর্ষক খতম। ভালো খবর বটে। তবে ধর্ষককে খতম করলেই কি সমাজ থেকে ধর্ষণ খতম হয়ে যাবে? নাহ। মোটেও না। বরং এই চার ধর্ষককে খতম করার পর পর সমাজে এই ঘটনার পরিসমাপ্তি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যেতে পারে। অতঃপর নির্ভয়া প্রিয়াঙ্কার মতো এমন ঘটনা কয়েক বছর পর আবার নতুন করে ঘটার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। বরং এই চার ধর্ষককে স্যাম্পল হিসেবে সমাজের সকল স্তরে তাদের অপরাধকে কমিউনিকেট করা যেতো। তাদের অপরাধের ধরণ, তাদের ছবি এবং শাস্তির ভয়াবহতা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করা যেতো। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসা, বাস টার্মিনালসহ সকল পাবলিক প্লেসে পোস্টারিং এবং মাইকিং করে সচেতনতা গড়ে তোলা যেতো। ধর্ষকরা কিন্তু একদিনে ধর্ষক হয়নি। তাই একদিনে তাদের গুলি করেই ধর্ষণ রোধ সম্ভব নয়। অপরাধ প্রচার এটি রোধের প্রথম সোপান। তারপর ঢেলে সাজাতে হবে সকল নাগরিকের সমানাধিকারের বিষয়গুলো। প্রয়োজনে নারী অধিকারের বিষয়গুলোতে সংস্কার করতে হবে ধর্মকেও। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]