• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » দুপুরের পর জামিন শুনানি করতে বললেন প্রধান বিচারপতি বিচারকদের কাজের মূল্যায়ন করে প্রতি বছর থাকবে পুরস্কার


দুপুরের পর জামিন শুনানি করতে বললেন প্রধান বিচারপতি বিচারকদের কাজের মূল্যায়ন করে প্রতি বছর থাকবে পুরস্কার

আমাদের নতুন সময় : 08/12/2019

 


নূর মোহাম্মদ : মামলা জট কমাতে বিচারকদের বিভিন্ন দিকে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। গতকাল শনিবার জাতীয় বিচার বিভাগীয় সম্মেলনে এ দিক নির্দেশনা দেন তিনি। এর আগে বিচারকদের কাছ থেকে নানা সমস্যার কথা শুনেন প্রধান বিচারপতি। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান বিচারপতি বলেন, বিকালে এডভোকেটরা থাকতে চাননা। সে কারণে দুপুরের পর বেইল মেটার ও মিসসিলেনিয়াস মেটার শুনতে হবে। আর সকালে বিচার করতে হবে। আমাদের বিচারের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। হাজার হাজার মামলা জমে যাচ্ছে। বয়স বেশি হলে আরও বেশি কাজ করবেন। বয়স যত বেশি হবে, যত বেশি কাজ করবেন, তত বেশি ভালো থাকবেন।
কাজের মূল্যায়ন বিবেচনায় পুরস্কার দেয়ার কথা জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, যে কোনো সময় ছুটি নেয়নি, তার জন্যে একটা পুরস্কার থাকবে। হাইয়েস্ট ডিসপোজালের ওপর একটা পুরস্কার থাকবে। এটা প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি যে থাকবে তার হাত থেকে পুরস্কার নেবেন। আর একটা পুরস্কার থাকবে বেস্ট ডিস্ট্রিক্ট জজ। তিনি বলেন, এখনও অনেক জায়গায় সকালে বেইল মেটার শুনছেন। আমি সামনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেব। এখন থেকে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টেও বিকালে বেইল পিটিশন শুনবে। কোর্টের সময়ের সঙ্গে নো কমপ্রোমাইজ। কারণ কোর্টে থাকলেই কাজ হবে, নিষ্পত্তি বাড়বে।
প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, অনেক সময় সাক্ষী এসেও ফিরে চলে যায়। কোর্টে সাক্ষী হাজিরা দিলে রাত ১০টা বাজলেও সাক্ষ্য গ্রহণ করেই তাদেরকে ছাড়তে হবে। কারণ ফৌজদারি মামলায় সাক্ষী পাওয়া কঠিন। ১০-১২ বছর ধরে মামলা পেন্ডিং থাকে-এটা মানুষ শোনলে বিচার বিভাগ সম্পর্কে বিরুপ ধারণা হবে। তাই ১০-১২ বছর ধরে একটা মামলা কেন পেন্ডিং সেটা আমাকে জানান। হাইকোর্টে যদি সেটা স্টে থাকে আমি নিজেই পদক্ষেপ নেব।
ছুটির বিষয়ে তিনি বলেন, কোর্ট খোলার মধ্যে কাউকে আমি ছুটি দিব না। তিন বছর পর পর রিক্রিয়েশন লিব পাওয়া যায়। মিনিস্ট্রিরও দায়িত্ব না যে, যখনই ছুটি চাবে তারা এটা পাঠিয়ে দেবে। তাদেরও একটা স্ক্রুটিনি থাকা দরকার। মিনিস্ট্রি কোন পোস্ট বক্স না।
তিনি বলেন, সহকারি জজদের স্টেনোগ্রাফার নেই। আমি এ ব্যাপারে আশু পদক্ষেপ নেব। চিকিৎসা ভাতা অপ্রতুল। আমি একটি ভালো ফান্ড সংগ্রহ করার চেষ্টা করবো। এটা কোন দান নয়। এটা তার অধিকার। যতদিন ফান্ড ক্রিয়েট না হয়, ততদিন সবাই মিলে অসুস্থ জজকে সহযোগিতা করবো। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]