• প্রচ্ছদ » » ধর্ষণকে থামাতে হলে অতি সত্বর ধর্ষণবিরোধী বিশেষ আইন প্রণয়ন করতেই হবে


ধর্ষণকে থামাতে হলে অতি সত্বর ধর্ষণবিরোধী বিশেষ আইন প্রণয়ন করতেই হবে

আমাদের নতুন সময় : 08/12/2019

লীনা পারভীন

ধর্ষণকে থামাতে হলে অতি সত্বর ধর্ষণবিরোধী বিশেষ আইন প্রণয়ন করতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই সামনে। বর্তমানে যে নারী ও শিশু নিরাপত্তা আইন আছে তা দিয়ে ধর্ষণের মতো ক্রিমিনাল অফেন্স থামানো সম্ভব নয় কারণ ধর্ষণকে ‘বিশেষ অপরাধ’ হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে? সমাজে নারীর অবস্থানকে সুনিশ্চিত ও যথার্থ সম্মানের জায়গায় নিশ্চিত করতে না পারলে উন্নত দেশ বা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার রাস্তাটি হবে নড়বড়ে। ক্রস ফায়ার অবশ্যই কোনো সমাধান নয়, কিন্তু আইনের শক্তিশালী প্রয়োগ নিশ্চিত করা যখন অপরাধের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হয় তখন ব্যালেন্স ধরে রাখার জন্য হায়দ্রাবাদের ঘটনাও হতে পারে উজ্জীবনের। রাষ্ট্রের কাছে নাগরিক চায় সমাধান ও অপরাধকে ‘জিরো টলারেন্স’ দেখানোর আন্তরিকতা। স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। অতি দ্রæত আসামিদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করছি।
নির্বাচিত মন্তব্য : আদেব মাহমুদÑ অবাক লাগে এ সরকার জনগণ যা চায় তাতে কোনো আগ্রহ নেই। সম্মেলনে শুরু তৃণমূলে। সেখানে বসন্তের কোকিলদের দাপট। প্রকৃত ত্যাগী দলীয় কর্মী চরম নাখোশ। ওদিকে স্পেনে সয়ং পিএম ফুলের মালা নিয়েছেন এমন একজনের হাত থেকে, যে মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের বাঁচাতে আন্দোলন করেছে। ইউরোপের আওয়ামী সমর্থকদের প্রশ্ন আসলে আমাদের প্রধানমন্ত্রী কি চাইছেন? মৌলবাদে আছেন ঘিরে। ধর্ষকের জন্য নতুন আইন জনগণের প্রাণের দাবি। পিএম নিশ্চুপ। ৯৮ শতাংশ আওয়ামী সমর্থকের জায়গায় আজ আমরা নব্য আওয়ামীদের কাছে কোণঠাসা। অন্য জায়গায় আরও অবস্থা খারাপ। শিবিরে সয়লাব দল। পিএম জানেন না বললে মানতে পারছি না। কুখ্যাত রাজাকারের সন্তানও ইউনিয়ন সভাপতি প্রার্থী। প্রতিবাদ করায় নেতাদের উত্তরÑ ‘আওয়ামী লীগে সবার জন্য দ্বার উন্মুক্ত। যদি তাই মানতে হয় যাদের ফাঁসি হলো তাদের কি দোষ? প্রশ্ন আপামর দলীয় কর্মীদের। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]