• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » পানের পিকে অতিষ্ঠ গুয়াহাটি প্রশাসন, রোড ডিভাইডার ঢাকা হলো প্লাস্টিকে


পানের পিকে অতিষ্ঠ গুয়াহাটি প্রশাসন, রোড ডিভাইডার ঢাকা হলো প্লাস্টিকে

আমাদের নতুন সময় : 09/12/2019


সালেহ্ বিপ্লব : আসামের রাজধানী গুয়াহাটি এমনিতে সাজানোগোছানো সুন্দর শহর। কিন্তু একটা বড়ো সমস্যা শহরের পান খাওয়া লোকজন। যেখানে সেখানে পানের পিক ফেলতে অভ্যস্ত তারা। আর গুটখা (পানমশলা) যারা খান, তারাও সমানে পিক ফেলে রাস্তাঘাট, রোড ডিভাইডার দাগে দাগে ভরিয়ে তোলেন। সারাবছর যাহোক তাহোক, গুয়াহাটি প্রশাসন অন্তত আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত পানের পিক থেকে মুক্তি চায়। কারণ সেদিন রাজ্য সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, তাই শহরের সমস্ত রোড ডিভাইডার ঢেকে দেয়া হয়েছে প্লাস্টিক দিয়ে। এনডিটিভি
আসাম সফরে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে থাকছেন জাপানের বেশ কজন বিশিষ্ট ব্যক্তি। মেহমানদের স্বাগত জানাতে শহরজুড়ে সাজসজ্জা করা হয়েছে। রোড ডিভাইডারগুলো সাদাকালো রঙে সাজানো হয়েছে। কিন্তু এই সাজসজ্জা বেশিক্ষণ ধরে রাখা যায়নি। পানের পিকে বিতিকিচ্ছিরি হয়ে যেতে খুব বেশি সময় লাগেনি। পথচারীরা পানের পিক ফেলছেন, গাড়ির জানালা দিয়েও সমানতালে পিক ফেলে যাচ্ছেন পানখোররা।
বেমক্কা এই উৎপাতে মহাঅতিষ্ঠ গুয়াহাটি পৌর কর্তৃপক্ষ, একাধিক বার রং করিয়েও কাজ হয়নি। ফের পানের পিকে রঞ্জিত রোড ডিভাইডার। তবে চটজলদি সমাধানও বের করে ফেলেছেন কর্মকর্তারা, ডিভাইডারগুলো ঢেকে দিয়েছেন প্লাস্টিক দিয়ে।
এই পদ্ধতিতে সাময়িক স্বস্তি মিললেও তা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না। কারণ এবার পানের পিক পড়ছে প্লাস্টিকের ওপর। তবে কর্মকর্তারা হাঁপ ছেড়ে বেঁচেছেন এই ভেবে যে, প্লাস্টিক বদলে দিলেই আবার সব ঠিকঠাক চেহারায় ফিরে আসছে। ধারণা করা হচ্ছে, এভাবেই সৌন্দর্য্য ধরে রেখে প্রধানমন্ত্রীসহ অতিথিদের স্বাগত জানানো সম্ভব হবে।
শহরবাসীর আচরণে বেশ ক্ষেপেছেন পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। তারা বলেছেন, কিছু মানুষের বদ অভ্যাসের জন্য এই পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছেন। শহরের সৌন্দর্য্য সচেতন মানুষও পান ও গুটখা সেবনকারীদের আচরণে বিরক্ত। এক কলেজ শিক্ষার্থী বলেছেন, এধরনের অবিবেচক মানুষদের বিরুদ্ধে শহরের সৌন্দর্য্যহানি এবং দৃশ্যদূষণের মামলা করা উচিত। এতে যদি তাদের হুঁশ ফেরে।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]