• প্রচ্ছদ » সাবলিড » প্রধানমন্ত্রী বললেন, এমনভাবে চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে যাতে নতুন প্রজন্ম মাদক ও জঙ্গিবাদের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন করে


প্রধানমন্ত্রী বললেন, এমনভাবে চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে যাতে নতুন প্রজন্ম মাদক ও জঙ্গিবাদের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন করে

আমাদের নতুন সময় : 09/12/2019


বাশার নূরু : রোববার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৭ সালের জন্য ২৭টি বিভাগে ও ২০১৮ সালের জন্য ২৮টি বিভাগে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয় গত ৭ নভেম্বর। পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাকে যখন পুরস্কার দেয়া হচ্ছে, যে সিনেমার জন্য পাচ্ছেন, তার ট্রেলার বা কিছু অংশ দেখানো, কিছুটা বর্ণনা দেয়াÑ এরকম কিছু থাকলে ভালো হবে। তবে আজ যে তাড়াহুড়াটা হলো, এর জন্য আমি নিজেই দায়ী। ভবিষ্যতে আর এটা যেন না হয়, সে বিষয়ে আমরা খেয়াল রাখবো।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য সচিব আব্দুল মালেক।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন ধরনের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে, ফাইলপত্র পড়তেই সময় চলে যায় বলে চলচ্চিত্র দেখার সময় পাই না। বিদেশ সফরে যাওয়ার সময় ফ্লাইটে সুযোগ হলে সিনেমা দেখা হয়। তিনি বলেন, আমাদের যে মেধা আছে, তাতে আরও সুন্দর সুন্দর চলচ্চিত্র নির্মাণ হতে পারে। বাংলাদেশের টেলিভিশন নাটকগুলো মানের দিক থেকে এগিয়ে। এসময় ভারতীয় টিভি সিরিয়ালের দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি কাউকে বদনাম করতে চাই না। অনেক দেশের সিরিয়ালে তো শুধু শাড়ি-গয়নার কমপিটিশন আর খুনসুঁটিপনা দেখি। কিন্তু আমাদের প্রতিটি নাটকের ভেতরে অনেক বেশি জীবনবোধের স্পর্শ আছে। এই নাটক থেকে অনেক কিছু জানা যায়, শেখা যায়, অনেক কিছু বোঝা যায়।
শেখ হাসিনা বক্তব্যের শুরুতে পুরস্কার বিজয়ী শিল্পী ও কলাকুশলীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, চলচ্চিত্রের মাধ্যমে একটা সমাজকে জানা যায়। তেমনি সমাজের কাছে বিশেষ কোনও বার্তাও পৌঁছাতে হলে চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তা সহজে পৌঁছানো যায়। চলচ্চিত্র সমাজকে সংস্কার করতে পারে, কলুষমুক্ত করতে পারে। আবার কখনও কখনও অপসংস্কৃতি সমাজকে নষ্ট করতে পারে। তাই সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তান চলচ্চিত্র সংস্থা উন্নয়ন বিল ১৯৫৭ সংসদে উপস্থাপন করেন এবং সেটি পাস হয়। এর মাধ্যমে এফডিসি প্রতিষ্ঠিত হয়। এছাড়াও তিনি নানা কর্মসূচি ও পদক্ষেপ নেন। শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির উন্নয়নে তিনি কাজ করেছেন। বঙ্গবন্ধু যে সংবিধান দিয়েছেন, সেখানেও সব ধরনের অধিকারের নিশ্চয়তা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন অনেক বেশি সমাজসংস্কারমূলক ও আবেদনমূলক চলচ্চিত্র নির্মাণ হয়। তবে ডিজিটাল যুগের কারণ জেলা-উপজেলার হলগুলো চালু থাকতে পারছে না। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ছে। তাদের জন্য বিনোদনের ব্যবস্থা করতে হবে। এ জন্য মফস্বলের সিনেমা হলগুলোর দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। হলগুলোকে ডিজিটাইজড করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]