• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » বেসিক ব্যাংকের দুর্নীতির বিষয়ে এমএলএ প্রতিবেদন আসলেই তদন্ত কার্যক্রম শেষ হবে, জানালেন দুদক চেয়ারম্যান


বেসিক ব্যাংকের দুর্নীতির বিষয়ে এমএলএ প্রতিবেদন আসলেই তদন্ত কার্যক্রম শেষ হবে, জানালেন দুদক চেয়ারম্যান

আমাদের নতুন সময় : 09/12/2019

তাপসী রাবেয়া : গতকাল রিপোর্টার্স এ্যাগেইন্সট করাপশন আয়োজিত মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠানে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, এবছর দুদকের কার্যক্রম ঊর্ধ্বমুখী। তদন্ত,অনুসন্ধান সবই বাড়ছে। আমাদের ওপর জনআস্থা বেড়েছে। ফাঁদ মামলাও হয়েছে অনেক। ফাঁদ মামলার কারণে সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষের প্রবণতা কমেছে। দুদক চেয়ারম্যান বলেন, অর্থপাচারের ঘটনা ঠেকাতে দায়িত্বপ্রাপ্তদের প্রতিষ্ঠান মামলা না করলে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে দুদক। তিনি আরো বলেন, এবছর মানি লন্ডারিং মামলায় সাজাও শতভাগ নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছি। গণশুনানির সংখ্যা বেড়েছে। মামলায় সাজার হারও বেড়েছে। কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছি। সাক্ষীদের সুরক্ষা নিশ্চিতেও কাজ করা হচ্ছে।
দায়মুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, কোনও মানুষ যেন হয়রানি না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখা হচ্ছে।দুদক চেয়ারম্যান আরো বলেন, সবক্ষেত্রে মামলার চার্জশিট দেওয়া যায় না। দুর্নীতির টাকা কোথায় গেল, সেটা বের না করা গেলে চার্জশিট দেয়া সম্ভব না।
তিনি বলেন, শিশুদের নৈতিকতা বাড়াতে ২৭ হাজার সততা সংঘ ও ৪ হাজার সততা স্টোর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। মানসিক পরিবর্তন না হলে দুর্নীতি প্রতিরোধ সম্ভব না। সবার সমন্বিত প্রয়াস ছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধ সম্ভব না। বেসিক ব্যাংক ইস্যুতে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ব্যাংকটির লুটপাটের টাকা মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে চলে গেছে। সেখানে মিউচ্যুয়াল লিগ্যাল এসিসট্যান্স (এমএলএ) পাঠানো হয়েছে। সেই প্রতিবেদন আসলে তদন্ত কার্যক্রম শেষ হয়ে আসবে বলেও জানান তিনি। বেসিক ব্যাংক দুর্নীতি ইস্যুতে ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হাই বাচ্চুকে চার্জশিটভুক্ত করা হবে কিনা- এ বিষয়ে তিনি বলার কে? ফজলে নূর তাপসকে ইঙ্গিত করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, তার এ বিষয়ে বলার এখতিয়ার নেই।
এসময় ক্যাসিনো কান্ড, অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জন মামলায় সম্প্রতি যারা গ্রেপ্তার হয়েছে ও বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, তাদের রিমান্ড জিজ্ঞাসাবাদে অনেক রাঘব বোয়ালদের নাম এসেছে। তাদের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক। শিগগির তাদের নাম প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, মানি লন্ডারিং মামলায় দুদকের জিরো টলারেন্স নীতি, এখন পর্যন্ত ৩৪টি মানি লন্ডারিং মামলায় শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। শুধু রাজনীতিবিদ বা ব্যবসায়ী নন, সরকারি কর্মকর্তারা দুর্নীতি করলে ছাড় দেয়া হবে না। কোনো প্রভাব খাটিয়ে দুদক থেকে রেহাই পাওয়া যাবে না বলেও হুশিয়ারি দেন দুদক চেয়ারম্যান। সম্পাদনা : খালিদ আহমেদ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]