• প্রচ্ছদ » আমাদের বাংলাদেশ » চট্টগ্রাম বন্দরে অনুমতিপত্রের বিপরীতে আমদানির গতি ধীর, দেশে এসে পৌঁছেনি সবগুলো পেঁয়াজের চালান


চট্টগ্রাম বন্দরে অনুমতিপত্রের বিপরীতে আমদানির গতি ধীর, দেশে এসে পৌঁছেনি সবগুলো পেঁয়াজের চালান

আমাদের নতুন সময় : 10/12/2019

অনুজ দেব : পেঁয়াজের অব্যাহত সংকটের মুখে দেশের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র নিয়ে রাখলেও সবগুলো পেঁয়াজের চালান এখনো দেশে আসেনি। আমদানি স্বাভাবিক থাকলে যেখানে দুই মাসে কমপক্ষে ২ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আসত সেখানে গত ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে মাত্র ১৭ হাজার ৫৯০ মেট্রিক টন। ভোক্তা ও সংশ্লিষ্টদের অভিমত, পেঁয়াজ আমদানির গতি ধীর এবং পরিমাণ খুবই কম। পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখতে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ানোর বিকল্প নেই। তবে আমদানিকারকরা বলছেন, এলসি খোলার পর জাহাজে করে পেঁয়াজ আসতেই ৩০ থেকে ৩৫ দিন সময় লাগে। এদিকে সরবরাহ সংকটের কারণে বার বার অস্থির হয়ে পড়া পেঁয়াজের বাজারে এখনো লাগাম টানা সম্ভব হয়নি। খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মিয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, অনিয়মিত সরবরাহ দিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। জাহাজে করে তো প্রতিদিন পেঁয়াজ আসছে না। আগে ভারতীয় পেঁয়াজ যেভাবে ঢুকতো সে হিসাবে বাজার সহনীয় রাখতে হলে দৈনিক আড়াই থেকে ৩ হাজার টন পেঁয়াজ আসতে হবে। অথচ অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে যদি হিসাব করি তাহলে প্রতিদিন এক হাজার টন পেঁয়াজও তো বাজারে ঢুকছে না।
চট্টগ্রাম সামুদ্রিক বন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক আসাদুজ্জামান বুলবুল বলেন, অনুমতিপত্র ইস্যুর বিপরীতে পেঁয়াজ ছাড়ের পরিমাণ কম। ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১ লাখ ৩ হাজার চারশত ৩৪ মেট্রিক ট্রন অনুমতিপত্রের (আইপি) বিপরীতে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ ছাড় হয়েছে ১৭ হাজার ৫৯০ মেট্রিক টন। তবে জাহাজে এক মাসের বেশি সময় লাগায় অনুমতিপত্র ইস্যু অনুযায়ী সবগুলো পেঁয়াজ হয়তো বন্দরে এসে পৌঁছায়নি। সম্পাদনা : ওমর ফারুক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]