• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » ঠিকাদার বদলে বিজিএমইএ ভবন ভাঙা পিছিয়ে গেলো আরেক ধাপ, রাজউকের ক্ষতি ৫০ লাখ টাকা


ঠিকাদার বদলে বিজিএমইএ ভবন ভাঙা পিছিয়ে গেলো আরেক ধাপ, রাজউকের ক্ষতি ৫০ লাখ টাকা

আমাদের নতুন সময় : 10/12/2019

সুজিৎ নন্দী : ভবন থেকে লিফট, এসিসহ মূল্যবান সব সামগ্রী আগেই সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কারণে বিজিএমইএ ভবন আর ভাঙছে না সর্বোচ্চ দরদাতা সালাম অ্যান্ড ব্রাদার্স। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতার দেওয়া দর থেকেও প্রায় ৫০ লাখ টাকা কমে এখন ভবনটি ভাঙতে কার্যাদেশ দেয়া হচ্ছে।
শুরুতে সর্বোচ্চ দরদাতা সালাম অ্যান্ড ব্রাদার্স ১ কোটি ৭০ লাখ টাকার বিনিময়ে ভবনটি ভেঙে নিয়ে যেতে রাজি হয়েছিল। শেষ মুহূর্তে এসে তারা অভিযোগ করে ভবন থেকে বিজিএমইএ প্রায় দেড় কোটি টাকার মালামাল সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তারা বলে, আমরা যখন দরপত্র দিয়েছি তখন মালামালগুলো ওই ভবনে ছিল। যেগুলো বিক্রি করে আমরা ভালো অর্থ পেতাম। বর্তমানে ভবনে কিছু রড ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনও জিনিসপত্র নেই। রড বিক্রি করে আমরা তো খরচের টাকাই তুলতে পারবো না।
সালাম ব্রাদার্স সরে দাঁড়ালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতা চট্টগ্রামের ফোর স্টার গ্রুপকে কাজটি দিতে চায় রাজউক। তাদের দর ছিল ১ কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। কিন্তু একই কারণ দেখিয়ে এই টাকায় স্টার গ্রুপও কাজ করতে রাজি না হলে রাজউক দর কমাতে বাধ্য হয়। নতুন দর ধরা হয়েছে এক কোটি ছয় লাখ টাকা। এই হ্রাসকৃত দরে এখন স্টার গ্রুপকেই কাজটি দেয়া হচ্ছে। সে অনুযায়ী কার্যাদেশ দেয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।
দরপত্রের শর্ত ছিল ভবনটির সব মালামাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়ে যাবে। সেই হিসাবেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের দর প্রস্তাব করেছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় কার্যাদেশ দেয়ার পর বিজিএমইএ ভবন থেকে বেশ কিছু মালামাল সরিয়ে নিয়ে গেছে। ঠিকাদারদের মতে সরিয়ে নেয়া সে মালামালের মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকার মতো। যদিও বিজিএমইএ দাবি করছে তারা যে মালামাল সরিয়েছে তার অর্থমূল্য ৮ লাখ টাকার মত। তবে, ভাঙার কার্যাদেশ দেওয়ার পরও কিভাবে সেই ভবন থেকে মালামাল সরানোর অনুমতি দেওয়া হলো সে প্রশ্নের জবাব পাওয়া যায়নি।
রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী রায়হানুল ফেরদৌস বলেন, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ফোর স্টার এন্টারপ্রাইজ আগের দর কমিয়ে নেয়ার দাবি করছে। মন্ত্রণালয় থেকে দ্রুতই অনুমোদন হবে। সব ঠিকঠাক থাকলে তাড়াতাড়ি বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কাজ শুরু করা যাবে।
রাজউকের চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদ বলেন, বিজিএমইএ ভবন ভাঙা হচ্ছে। তবে এসব জটিলতার কারণে সময় একটু বেশি লাগতে পারে। সম্পাদনা: মাসুদ কামাল।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : info@amadernotunshomoy.com