• প্রচ্ছদ » সর্বশেষ » যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগের বার্ষিক রিপোর্ট মতে মানবাধিকার লংঘনের শীর্ষে ভেনিজুয়েলা ও চীন


যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগের বার্ষিক রিপোর্ট মতে মানবাধিকার লংঘনের শীর্ষে ভেনিজুয়েলা ও চীন

আমাদের নতুন সময় : 10/12/2019

দেবদুলাল মুন্না : আজ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই দিবসটি পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের উদ্যোগে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে সংস্থার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মতিক্রমে সার্বজনীন মানবাধিকার সনদ গৃহীত হয়। এরপর থেকে বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘ সদস্য রাষ্ট্রগুলো যথাযথ মর্যাদায় বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করে আসছে। চলতি বছর ৭১তম বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হতে যাচ্ছে। দিবসটি উপলক্ষে পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মানবাধিকার লংঘনের শীর্ষে রয়েছে ভেনিজুয়েলা ও চীন। বাংলাদেশে মানুষের বাক স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে বাংলাদেশে রাজপথে বিরোধীদলীয় আন্দোলন দমন করা হচ্ছে এবং অপ্রকাশ্য সেন্সরশীপের চাপ দেওয়া হচ্ছে গণমাধ্যমকে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগের বার্ষিক মানবাধিকার প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। গোটা বিশ্ব মানবাধিকার লংঘনের নিক্তিতে ভেনিজুয়েলা এবং চীনের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগের বার্ষিক মানবাধিকার প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। সূত্র:সিএনএন ও ভয়েজ অব আমেরিকা।
প্রতিবেদনে জানা যায়, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও ভেনিজুয়েলায় মানবাধিকার লংঘনের বিষয়ে অভিযোগ করেন, দেশটিতে বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ড, মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাজনীতিতে মানুষের অংশগ্রহনকে কঠৌরভাবে দমন করে মানবাধিকার লংঘন করা হচ্ছে। একইভাবে চীনেরও নানা প্রকার মানবাধিকার লংঘন হচ্ছে।
মানবাধিকার লংঘনের প্রশ্নে চীনের অবস্থা উদ্বেগজনক। ২০১৮ সালে চীনে উইঘুর নামক সংখ্যালঘূ মুসলিম সম্প্রদায়ের রেকর্ড সংখ্যক মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই নির্যাতন এখনও চলছে। এখন ১০ লক্ষেরও বেশী উইঘুর, কাজাখ জাতিগোষ্ঠি এবং অন্যান্য মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজনকে তাদের শিবিরে নিয়ে নির্যাতন করে তাদের ধর্মীয় ও জাতীগত পরিচয় মুছে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়া খ্রীষ্টান, তিব্বতীয়সহ যে কেউ সরকারের বিরুদ্ধে ভিন্নমত পোষণ করছেন তাদেরকে গ্রেপ্তার ও নির্যাতন করা হচ্ছে। এছাড়া ইরান ও নিকারাগুয়ায় মানবাধিকার লংঘনের কথা বলা হয়েছে। ১৯৭৭ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগ এই রিপোর্ট প্রকাশ করে আসছে। সোদি আরবের মানবাধিকার লংঘনের কথা উল্লেখ করে নিন্দা বলা হয়, গত বছর ইস্তাম্বুলে সৌদী কন্সুলেটে ওয়াশিংটন পোস্ট কলামিস্ট জামাল খাসোগজি হত্যাকান্ডের ঘটনা ন্যাক্কারজনক।
মানবাধিকার বিষয়ক বিশ্লেষক মাইকেল কোজাক বলেন, ‘ভেনিজুয়েলায় মানবাধিকার লংঘনের অবস্থা ভীষণ খারাপ। এই রিপোর্টে তা দারুণভাবে উঠে এসেছে। আর এটিতো গতবাবের তথ্য উপাত্ত দিয়ে করা। এখন অবস্থা আরো খারাপ হয়েছে।’ ইরানি মানবাধিকার আইনজীবি নাসরিন সোতোদেহ’র বিষয়টিও প্রতিবেদনে উঠে আসে। গত বছল জুনমাসে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ৩৮ বছরের জেল দেয়া হয়, ১৪৮ চাবুক মারা হয়। মাইকেল কোজাক বলেন, ‘ ইরানি নারীদের অধিকারের পক্ষে কথা বলায় এবং বিভিন্ন ইরানী নারীর স্বার্থে কাজ করার অপরাধে তাকে গ্রেপ্তার ও সাজা দেয়া হয়। হিজার আইনের বিরুদ্ধে কথা বলায় তার ওই পরিনতি।’ সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : info@amadernotunshomoy.com