• প্রচ্ছদ » সর্বশেষ » রুম্পার রহস্যজনক মৃত্যুর কিনারা করতে পারছে না,শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত


রুম্পার রহস্যজনক মৃত্যুর কিনারা করতে পারছে না,শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত

আমাদের নতুন সময় : 10/12/2019


মাসুদ আলম : স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ছাত্রী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার মৃত্যুর রহস্য সাত দিনেও উদ্ঘাটন করতে পারেনি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। সন্দেহভাজন হিসেবে রুম্পার বন্ধু আবদুর রহমান সৈকতকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন গোয়েন্দা পুলিশ। ঘটনাস্থলের সিসিটিভির ফুটেজ ও মোবাইল ফোনের কললিস্ট যাচাই বাছাই চলছে।
এদিকে হত্যাকা-ের তদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা করেছেন স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার দুপুরে সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসে চলমান আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা করা হয়। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের পর তা মূল্যায়ন করে আন্দোলনের পরবর্তী তারিখ ঘোষণা দেয়া হবে বলে জানায় তারা।
আন্দোলনের মুখপাত্র ইংরেজি বিভাগের ছাত্র জিসাদ মোহাম্মদ বলেন, রুম্পার মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত চলছে। একজন সন্দেহভাজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ফরেনসিক বিভাগের প্রতিবেদন এখনও পৌঁছায়নি। এ অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং দেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর আস্থা রেখে তাদের প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করবো।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ গোয়েন্দা পুলিশের ডিসি রাজীব আল মাসুদ বলেন, উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি নেই। তদন্ত চলছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। রুম্পাকে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছিলো, নাকি সেই রাতে একাই ছাদে উঠে নিজে লাফিয়ে পড়েছিলেন, নাকি কৌশলে তাকে ছাদে নিয়ে ফেলে হত্যা করা হয়েছিলো তা এখনো নিশ্চিত নয়। ধারণা করা হচ্ছে সৈকত প্রেমের সর্ম্পক প্রত্যাখান করায় রুম্পা আত্মহত্যা করে। আর ‘হত্যার প্ররোচনায়’ রুম্পার মৃত্যুর জন্য তাকে দায়ী করা যায়। ঘটনার আগে রুম্পার সঙ্গে কার কি কথা হয়েছিলো তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদে সৈকত দাবি করেছে, সে রুম্পাকে হত্যা করেনি। তার সঙ্গে তিন মাসের প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। তার বাবা ও চাচার মৃত্যুর পর সম্প্রতি সে রুম্পাকে জানিয়ে দেন, তার পক্ষে আর সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী করা সম্ভব নয়। এরপরও রুম্পা সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে অনুরোধ করেছিলেন। ঘটনার দিন বিকেলেও রুম্পার সঙ্গে তার কথা হয়েছিলো। তবে কিভাবে মারা যান সেটা জানা নেই তার।
ওই কর্মকর্তা আরো জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রুম্পা ও সৈকতের কয়েকজন সহপার্ঠী নজরদারীতে রয়েছে। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় বাসায় মোবাইল ফোন ও তার সঙ্গে থাকা জিনিসপত্র রেখে যায়। লাশ উদ্ধারের আগের চার ঘণ্টা রুম্পা কোথায় ছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রুত ঘটনার রহস্য বেরিয়ে আসবে। তবে রুম্পার পরিবারের দাবী সৈকতই সব জানে।

গত গত বুধবার গভীর রাতে সিদ্ধেশ্বরী সার্কুলার রোডের ৬৪/৪ নম্বর বাসার সামনে থেকে রুম্পার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : info@amadernotunshomoy.com