• প্রচ্ছদ » » পাকিস্তানে এইডস মহামারি আকার ধারণ করেছে, কেন?


পাকিস্তানে এইডস মহামারি আকার ধারণ করেছে, কেন?

আমাদের নতুন সময় : 11/12/2019

রাশিদ রিয়াজ : পাকিস্তানে এইডস আক্রান্ত রোগির সংখ্যা লক্ষাধিক হলেও এদের মধ্যে ২০ হাজার ৯৯৪ জনকে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হচ্ছে। বিরাট সংখ্যক এইডস রোগী চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না। নথিবদ্ধ রয়েছে ৩৬ হাজার ৯০২ জন এইডস রোগী। পাকিস্তানের ন্যাশনাল এইডস কন্ট্রোল প্রোগ্রাম বা এনএসিপি এ তথ্য দিয়ে বলছে নতুন করে আরও ৯ হাজার ৫৬৫ জন এইডসে আক্রান্ত হয়েছে। দেশটিতে তালিকাভুক্ত এইডস রোগীর মধ্যে ১৮ হাজার ২২০ জন পুরুষ, ৪ হাজার ১৭০ জন নারী ও ৫৪৬ জন ছেলে শিশু ও ৪২৬ জন মেয়ে শিশু। পাকিস্তানের লারকানায় রাতো ডেরোতেই ৮৯৫ জন এইডস রোগীর মধ্যে ৭৫৪ জনই শিশু। তালিকাভুক্তির বাইরে বিপুল সংখ্যক এইডসে আক্রান্ত নারী, পুরুষ ও শিশু চিকিৎসার আড়ালে থাকায় সংকটে পড়েছে পাকিস্তান। Ñডন
লারকানায় গত এপ্রিল থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ৩৭ হাজার ৫৫৮ জনের রক্ত পরীক্ষায় ১ হাজার ১৯৫ জনের রক্তে এইডস জীবাণু রয়েছে বলে সন্দেহ হওয়ার পর এদের মধ্যে ৮৯৫ জনের রক্ত পরীক্ষায় এইডসে আক্রান্ত হওয়ার নিশ্চিত প্রমাণ মেলে। গত বছর পাকিস্তানে ২৩ হাজার ৭৫৭ জন এইডস আক্রান্ত হলেও চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হয়েছে ১৫ হাজার ৮২১ জনকে। গত দুই দশক ধরে পাকিস্তানে এইডস রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও এর বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হচ্ছে না। অথচ ২০০০ সালে পাকিস্তানে এইডস রোগীর সংখ্যা ছিলো ৫শ। ওই বছর শ’খানেক এইডস রোগী মারা যায়। গত বছর এ রোগে মারা যায় ৬ হাজার ৪শ জন। ২০০০ সালে পাকিস্তানে এইডস রোগী তালিকাভুক্ত করা হয়েছিলো ২শ এবং গত বছর এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ হাজারে। এইডস রোগীদের ১৪ ভাগ বিষয়টি নিয়ে সজাগ থাকলেও ১০ শতাংশ রোগী নিজে নিজেই রোগটির চিকিৎসা বেছে নেন। এইডস রোগীদের মধ্যে ২১ শতাংশ মাদকাসক্ত, ৩.৭ শতাংশ সমকামী, সাড়ে ৫ শতাংশ হিজড়া সম্প্রদায় ও ৩.৮ শতাংশ যৌনকর্মী। তবে পাকিস্তানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মনে করে আদতে এইডস রোগীর সংখ্যা কম।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]